তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ১৪ ঘন্টা আগে, ০২:৫৩ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক সমন্বয়ক রিয়াদ দুই দিনের রিমান্ডে

সংগ্রহীত ছবি

রাজধানীর গুলশান থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরমান আলী গত ১ মার্চ রিয়াদসহ চার আসামিকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করেন। এ সময় তাদের প্রত্যেককে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়। শুনানির জন্য দিন ধার্য করার পর বৃহস্পতিবার রিমান্ড বিষয়ে আদেশ দেন আদালত।

রিমান্ড শুনানির দিনে পুলিশ আসামিদের আদালতে হাজির করে। শুনানি শেষে বিচারক প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মো. রিয়াদুল হাওলাদারকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন। তবে অন্য দুই আসামি, মো. আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদারের রিমান্ড আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী নির্জন সরদার বাঁধন বাদী হয়ে আব্দুর রাজ্জাকসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে গুলশান থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আরও ১০ থেকে ২২ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, নির্জন ও তার বন্ধুদের সঙ্গে আসামিদের আগে থেকেই বিরোধ ছিল। গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির চতুর্থ তলার ৪১২ নম্বর কক্ষে দেখা হলে আসামিরা নির্জনকে সমাবর্তনে অংশগ্রহণের কথা বলেন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আনিসুর রহমানের সঙ্গে পরামর্শ করার সময় রাজ্জাকের নির্দেশে আসামি রিয়াদুল ও সায়েম চেয়ার দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এতে তিনি পিঠ ও বুকে আঘাত পান।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, রাজ্জাক একটি সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে নির্জনকে হত্যার উদ্দেশ্যে মুখে আঘাত করেন। এতে তার নাকে গুরুতর জখম হয়। এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। পরে নির্জনের বন্ধুবান্ধব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এগিয়ে এলে আসামিরা তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়। পরবর্তীতে গুলশান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তদের আটক করে।

মন্তব্য করুন