প্রকাশিত: ১২ ঘন্টা আগে, ০৪:২৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
টলিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর জন্য নতুন বছরের শুরুতে আবারও সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনার বনগাঁ আদালতে তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল বনগাঁর একটি অনুষ্ঠানে, যেখানে মঞ্চে হেনস্তার শিকার হন মিমি। থানায় অভিযোগ করার পর মূল আয়োজক তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তবে কারাগার থেকে বের হওয়ার পর তনয় অভিনেত্রীকে হুমকি দেন এবং পরে আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন।
সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মিথ্যা অপবাদ এবং মানহানির অভিযোগ তুলে আলাদা দুটি মামলা দায়ের করেছেন তনয়। মানহানির মামলায় ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে। এছাড়াও চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে মিমির কাছ থেকে অনুষ্ঠানের অগ্রিম ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ফেরত চাওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বনগাঁর ওই অনুষ্ঠানে মিমির রাত ১০ টায় যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি এগারোটার পরে যোগ দিয়েছিলেন।
আয়োজকের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, রাত বারোটা পর্যন্ত অনুষ্ঠান পরিচালনার অনুমতি থাকায় মঞ্চ থেকে মিমিকে নেমে যাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু মিমি নাকি অনুষ্ঠানের নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করে মঞ্চে অবস্থান করেন, যার ফলে আয়োজকের অনুমতি লঙ্ঘন হয়েছে।
মিমি চক্রবর্তীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি। তবে তার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, তিনি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মিমির দাবি, অনুষ্ঠানে হেনস্তার শিকার হওয়ার পর তিনি থানায় অভিযোগ করেছিলেন এবং পুলিশ আয়োজককে গ্রেফতার করেছিল। এখন উল্টো মিমির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বনগাঁর ওই অনুষ্ঠানে মিমি চক্রবর্তীকে মঞ্চে অপমান করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। মিমি তখন থানায় অভিযোগ করেন এবং আয়োজক তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। কারাগার থেকে বেরিয়ে তনয় এখন মিমির বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেছেন।
এই ঘটনা টলিউডে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকে মনে করছেন, এটি একটি পাল্টাপাল্টি অভিযোগের খেলা। মিমি চক্রবর্তীর ভক্তরা তার পাশে দাঁড়িয়েছেন, অন্যদিকে আয়োজকের পক্ষও তাদের দাবি ধরে রেখেছে।
আদালত এখন এই দুই মামলার শুনানি করবে। পরবর্তী তারিখে উভয় পক্ষের সাক্ষ্য ও যুক্তি শোনা হবে।
মন্তব্য করুন