প্রকাশিত: ৯ ঘন্টা আগে, ০৭:২৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ফেসবুক লাইভে কান্নাসিক্ত কণ্ঠে সামিয়া অথৈ জানান, নাটকের দৃশ্য অনুযায়ী তানজিন তিশাকে আলতো করে চড় মারার কথা ছিল। পরিচালক বুঝিয়ে দেওয়ার পর তিনি দৃশ্যটি সম্পন্ন করেন। কিন্তু এরপরই তানজিন তিশা তাঁকে পাল্টা চড় মারেন এবং সবার সামনে একাধিকবার আঘাত করেন। অথৈ বলেন, “তিশা আপু সিনের মধ্যেই আমাকে মেরে গাল ফুলিয়ে দিয়েছেন, আমার চোখ ফুলে গেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।”
নাটকের পরিচালক রাফাত মজুমদার ঘটনাটি কিছুটা ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে, দৃশ্যটি চরিত্রের প্রয়োজনে রাখা হয়েছিল এবং দুজন দুজনকে চড় দিতে গিয়েই হয়তো কারও জোরে লেগেছে। এটি একটি ভুল বোঝাবুঝি এবং এ কারণেই সামিয়া অথৈ মন খারাপ করে শুটিং সেট ছেড়ে চলে গেছেন।
শুটিং সেটে থাকা প্রবীণ অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিম জানান, ছোট বিষয়কে বড় করে দেখা হচ্ছে। তিনি সামিয়া অথৈকে ফোন দিলেও তিনি কথা না বলে ফোন কেটে দিয়েছেন। পেশাগত ঝামেলার বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করছেন বলে জানান তিনি।
ঘটনা প্রসঙ্গে জানতে তানজিন তিশার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি পরে বক্তব্য দেবেন। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তাঁর কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
রাফাত মজুমদারের পরিচালনায় এই ঈদ নাটকে আরও অভিনয় করছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, মোমেনা চৌধুরী, মীর রাব্বীসহ অনেকে। তবে প্রধান দুই অভিনেত্রীর এই বিবাদ পুরো শুটিং ইউনিটে অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে।
মন্তব্য করুন