প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ১২:০৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শহীদের পর শীর্ষ নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, সময় আসলে তিনি পছন্দ করে রাখা তিনজনের একজনকে ইরানের ক্ষমতায় বসাবেন।
রোববার (১ মার্চ) নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের ধর্মীয় নেতৃত্বকে ক্ষমতাচ্যুত করতে যুদ্ধ শুরুর পর ইরানের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তার সংক্ষিপ্ত তালিকায় তিনটি নাম রয়েছে।
তিনি বলেন, “ইরানের নেতৃত্বের জন্য আমার কাছে ‘তিনটি খুবই ভালো পছন্দ’ রয়েছে।” তিনি এদের কারও নাম প্রকাশ করেননি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, “আমি এখনই তাদের নাম প্রকাশ করব না। আগে কাজটি সম্পন্ন হোক।”
ইরান জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শহীদের পর শোকাতুর ইরান আগামী এক-দুই দিনের মধ্যেই তাদের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করতে পারে। আলজাজিরাকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি নিশ্চিত করেছেন যে সংবিধান অনুযায়ী উত্তরাধিকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
বর্তমানে প্রেসিডেন্ট, বিচারবিভাগের প্রধান এবং অভিভাবক পরিষদের একজন ফকিহকে নিয়ে গঠিত তিন সদস্যের একটি অন্তর্বর্তীকালীন কাউন্সিল সাময়িকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে। আরাগচি আশা প্রকাশ করেছেন যে বিশেষজ্ঞ পরিষদ (অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস) অত্যন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থায়ী উত্তরসূরি বেছে নেবে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় শহীদ হন। এরপর থেকে ইরানে নেতৃত্ব সংকট দেখা দিয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন তিন সদস্যের কাউন্সিল সাময়িকভাবে দায়িত্ব পালন করছে।
৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঠ পরিষদ (অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস) সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নতুন নেতা নির্বাচন করবে।ট্রাম্পের এই দাবিকে ইরানের পক্ষ থেকে ‘অর্থহীন’ ও ‘অপমানজনক’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি বলেছেন, ইরানের নেতা নির্বাচন ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং কোনো বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ সহ্য করা হবে না।
পরিস্থিতি এখন চরম সংবেদনশীল। ইরানের পক্ষ থেকে প্রতিশোধমূলক হামলা চলছে। আন্তর্জাতিক মহল যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাচ্ছে।
মন্তব্য করুন