তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ১২ ঘন্টা আগে, ০৪:৪৩ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের সমন্বিত হামলায় খামেনি হত্যার পেছনে বহু বছরের নজরদারি

খামেনি হত্যার পিছনে ছিল দীর্ঘ পরিকল্পনা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-কে লক্ষ্য করে চালানো হামলার পেছনে বহু বছরের গোয়েন্দা নজরদারি ও সমন্বিত সামরিক পরিকল্পনা ছিল বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস।

রোববার (২ মার্চ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, তেহরানের পাস্তুর স্ট্রিটসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নজরদারি চালানো হয়। ওই এলাকাতেই সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয় ও নেতৃত্ব কমপাউন্ড অবস্থিত। শহরের ট্রাফিক ক্যামেরা হ্যাক করে কর্মকর্তাদের চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং উন্নত অ্যালগরিদমের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের ‘প্যাটার্ন অব লাইফ’ বিশ্লেষণ করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের সিগন্যালস গোয়েন্দা ইউনিট এবং গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ-এর মানবসূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে খামেনি নির্দিষ্ট সময়ে কার্যালয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। এক মানবসূত্র তার উপস্থিতি নিশ্চিত করেন বলেও উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া হামলার আগে পাস্তুর স্ট্রিট সংলগ্ন কয়েকটি মোবাইল টাওয়ার আংশিকভাবে অচল করে দেওয়া হয়, যাতে নিরাপত্তা বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ সমন্বয় করতে না পারে। বৈঠক শুরু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই সমন্বিত হামলা চালানো হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের বরাতে বলা হয়, মার্কিন বাহিনী সাইবার হামলার মাধ্যমে ইরানের প্রতিরক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, অভিযানটি ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে পরিচালিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, খামেনি নিয়মিত কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতেন এবং আত্মগোপনে যাননি। শনিবার সকালে শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠকের সময় তার উপস্থিতিই হামলার সুযোগ তৈরি করে। ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন পরদিন ভোরে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে।

মন্তব্য করুন