তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ১১ ঘন্টা আগে, ০৫:৩১ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

যুদ্ধ এড়াতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আত্মরক্ষায় বাধ্য হয়েছি: পেজেশকিয়ান

সংগ্রহীত ছবি

আঞ্চলিক দেশগুলোর নেতাদের উদ্দেশে একটি বার্তা দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সেখানে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসনের কারণে ইরানকে আত্মরক্ষামূলক অবস্থান নিতে বাধ্য হতে হয়েছে। তবে এ পরিস্থিতিতেও প্রতিবেশী দেশগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি ইরান সম্মান দেখায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই বার্তায় তিনি অবৈধ মার্কিন-ইসরাইলি হামলার প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক ঐক্য জোরদারের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমাদের বন্ধুপ্রতীম ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সম্মানিত নেতৃবৃন্দ, আমরা আপনাদের সহায়তা এবং কূটনীতির মাধ্যমে যুদ্ধ এড়ানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।”

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সামরিক হামলার প্রসঙ্গ টেনে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, “কিন্তু আমেরিকা ও জায়নবাদীদের সামরিক আক্রমণ আমাদের সামনে আত্মরক্ষা ছাড়া আর কোনো বিকল্প রাখেনি।”

পেজেশকিয়ান স্পষ্ট করে জানান, ইরানের পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে নয়। তিনি আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। বার্তায় বলা হয়, “আমরা আপনাদের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করি এবং এখনও বিশ্বাস করি, এই অঞ্চলের শান্তি এ অঞ্চলের দেশগুলোকেই নিশ্চিত করতে হবে।”

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের হামলার পর কয়েকটি প্রতিবেশী দেশ উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছিল। পর্যবেক্ষকদের মতে, সেই প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতেই মূলত আঞ্চলিক দেশগুলোর উদ্দেশে এই বার্তা দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট।

ইরানের দাবি, তাদের সামরিক পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন এবং আত্মরক্ষার অধিকারের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছে। তেহরানের মতে, এই অধিকার অনুযায়ী হামলাকারী এবং তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো স্থানে আঘাত হানার বৈধতা তাদের রয়েছে।

মন্তব্য করুন