প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ০৫:১৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
দেশের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামোয় মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। সচিব কমিটির সব সদস্য এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করেছেন। নতুন বেতন কাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক একটি ই-বুকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
ই-বুকের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম বছরে সরকারি চাকরিজীবীদের কেবল মূল বেতন কার্যকর করা হবে। পরবর্তী বছরে বাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য ভাতা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বেতন ও ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা এবং পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
অষ্টম বেতন কমিশনের প্রায় এক যুগ পর ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই ২৩ সদস্যবিশিষ্ট নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করা হয়। সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে কমিশনটি চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।
কমিশনের সুপারিশে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়।
এ সুপারিশ পর্যালোচনার জন্য গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, অর্থসচিব, জনপ্রশাসনসচিব, আইনসচিব, প্রতিরক্ষাসচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
এর আগে গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে।
নতুন এই বেতন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে সরকারি চাকরিজীবীদের আয় কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
মন্তব্য করুন