প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৩:৫৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
আগামী দুই মাসে দেশে পেট্রল ও অকটেনের কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।
যুগ্ম সচিব বলেন, বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। এখন দেশে এক লাখ ৪৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, নয় হাজার ৫৬৯ মেট্রিক টন অকটেন এবং ১৬ হাজার ৮১২ মেট্রিক টন পেট্রল মজুত রয়েছে। তিনি জানান, এ পর্যন্ত সারা দেশে সাত হাজার ৩৪২টি অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা চার লাখ ৬৯ হাজার ৪২ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।
মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, মজুত ও অতিরিক্ত কেনার প্রবণতা না বদলালে সমস্যার সমাধান হবে না। সরকার প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের জন্য দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। এক লিটার ডিজেল ১০০ টাকায় বিক্রি হলেও এর প্রকৃত মূল্য ১৫৫ টাকা। অর্থাৎ প্রতি লিটারে ৫৫ টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।
তিনি জানান, ঢাকার আসাদ গেটে সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশন ও ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে জ্বালানি পাস চালু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এ ব্যবস্থা চালু করা হবে।
যুগ্ম সচিব বলেন, যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ হলেও দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতিতে তার প্রভাব থাকবে। এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি। জনগণের কথা চিন্তা করেই সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্তত তিন মাসের জ্বালানি মজুতের সক্ষমতা তৈরিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এলপিজির দাম নিয়ে ভোক্তাদের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে বলেও তিনি জানান।
বর্তমান মজুত ও আমদানি পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি বিভাগ আশা করছে, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকলে আগামী দুই মাসে কোনো ধরনের অসুবিধা হবে না।
মন্তব্য করুন