প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ০৩:২৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
স্থগিতকৃত শেরপুর-৩ আসনের ভোটগ্রহণ চলাকালে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান সূক্ষ্ম ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন।
বৃহস্পতিবার ৯ এপ্রিল বেলা ১১টায় শ্রীবরদী উপজেলার তাঁতিহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, সকাল থেকে শ্রীবরদী উপজেলার রুপার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে তাঁর এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন কেন্দ্রে তাঁর ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
মাসুদুর রহমান আরও বলেন, শ্রীবরদী উপজেলায় ভোটার সংখ্যা দুই লাখ ৫০ হাজার এবং ঝিনাইগাতী উপজেলায় এক লাখ ৬০ হাজার। ভোটারের এত বড় ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ম্যাজিস্ট্রেট টিম সমানভাবে বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নিয়ম অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট দেওয়া হয়নি। তিনি এটাকে স্পষ্ট ভোট কারচুপির প্রমাণ বলে অভিহিত করেন।
ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, জামায়াত প্রার্থীর অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। সকাল থেকে সব কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। তিনি জামায়াত প্রার্থীকে উগ্র ও মৌলবাদী বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ তুলে বলেন, শেষ পর্যন্ত জনগণ যাদের পছন্দ করবে তাদেরই জয় হবে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, জামায়াত প্রার্থীর অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। এটা রাজনৈতিক ভাষা। তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। মৌখিক অভিযোগগুলো তদন্ত করে দেখা হয়েছে এবং সেগুলোর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে শেরপুর-৩ আসনে তিন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটগ্রহণ চলছে সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত। দুই উপজেলায় মোট চার লাখ দুই হাজার ২৯ জন ভোটার রয়েছেন।
মন্তব্য করুন