তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ১০:১৯ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

নেইমারকে ছাড়াই মাঠে নামছে ব্রাজিল: মরক্কো ম্যাচ দিয়ে শুরু হেক্সা মিশন

পায়ের পেশির চোট থেকে এখনো পুরোপুরি সেরে ওঠেননি ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়র। ফলে ২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে এই মহাতারকাকে ছাড়াই মাঠে নামতে হচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। আগামীকাল রবিবার ভোর ৪টায় যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে কার্লো আনচেলত্তির দল। ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপা বা 'হেক্সা' জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামা সেলেসাওদের জন্য উদ্বোধনী ম্যাচে নেইমারের অনুপস্থিতি বড় এক ধাক্কা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

পায়ের মাংসপেশির চোটের কারণে বর্তমানে বিশেষ পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। চোটের তীব্রতার কারণে গত কয়েক দিন জাতীয় দলের নিয়মিত অনুশীলন সেশনেও অংশ নিতে পারেননি তিনি। ফলে মরক্কোর বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাধ্য হয়েই নেইমারকে ছাড়াই আক্রমণভাগ সাজানোর ছক কষতে হচ্ছে ব্রাজিলিয়ান কোচকে।

ব্রাজিলের ডাগআউটে থাকা অভিজ্ঞ কোচ কার্লো আনচেলত্তি নিশ্চিত করেছেন যে, প্রথম ম্যাচে নেইমারকে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন:

“নেইমার যত দ্রুত সম্ভব সুস্থ হয়ে ফেরার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে। আমরা আশা করছি, আগামী সপ্তাহেই সে পুরোপুরি ফিট হয়ে আবার দলের মূল অনুশীলনে যোগ দেবে।”

ব্রাজিলের জার্সিতে নেইমার সর্বশেষ মাঠে নেমেছিলেন ২০২৩ সালের অক্টোবরে। এরপর গুরুতর চোটের কারণে দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে থাকতে হয়েছে তাকে। এবারের বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াডে তার থাকা নিয়ে ফুটবল মহলে নানা আলোচনা-সমালোচনা এবং শঙ্কা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত তার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার ওপর ভরসা রেখে তাকে দলে রাখেন আনচেলত্তি। গত ৮ জুন ব্রাজিল ফুটবল দলের মেডিকেল বিভাগ এক বুলেটিনে জানায়, নেইমারের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া বেশ সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছে।

মরক্কোর বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে তাকে পাওয়া না গেলেও গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচে নেইমারকে মাঠে দেখার ব্যাপারে বেশ আশাবাদী ব্রাজিল শিবির। বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে মরক্কোর পর ব্রাজিলের পরবর্তী প্রতিপক্ষ যথাক্রমে হাইতিস্কটল্যান্ড। এই দুই ম্যাচের যেকোনো একটিতে এই তারকা ফরোয়ার্ডের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন হতে পারে বলে ধারণা করছে দলটির কোচিং স্টাফ ও ফুটবল বিশ্লেষকরা। তবে প্রথম ম্যাচে নেইমারের অনুপস্থিতিতে ভিনিসিউস-রদ্রিগোরা আক্রমণভাগের দায়িত্ব কতটা সফলভাবে সামলাতে পারেন, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

মন্তব্য করুন