প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ১১:৪৪ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে নতুন ইতিহাস গড়েছেন ইলন মাস্ক। স্পেসএক্সের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর তার মোট সম্পদের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.১১ ট্রিলিয়ন ডলারে।
ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, স্পেসএক্সের বিশাল মূল্যায়নই মাস্কের সম্পদ বৃদ্ধির প্রধান কারণ। কোম্পানিটি প্রায় ২.২ ট্রিলিয়ন ডলার বাজারমূল্য নিয়ে নাসডাকে তালিকাভুক্ত হয়েছে।
শেয়ারের প্রাথমিক দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৩৫ ডলার, তবে লেনদেন শুরু হয় ১৫০ ডলারে। এক পর্যায়ে তা বেড়ে ১৭৬.৫০ ডলারে উঠলেও দিন শেষে ১৬১ ডলারে স্থির হয়।
শেয়ারবাজারে আসার আগেই স্পেসএক্স বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৭৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করে। কোম্পানিতে মাস্কের মালিকানা ৪২ শতাংশ, যা তাকে প্রতিষ্ঠানটির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দিয়েছে।
শুধু স্পেসএক্স থেকেই মাস্কের শেয়ারের মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৬৭ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া টেসলা ও অন্যান্য সম্পদ মিলিয়ে তার মোট সম্পদ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।
তবে এই বিপুল সম্পদ নতুন বিতর্কও তৈরি করেছে। বৈশ্বিক সম্পদ বৈষম্য নিয়ে সমালোচনা বাড়ছে। অনেক রাজনীতিক ধনীদের ওপর নতুন কর আরোপের দাবি তুলেছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাস্কের সম্পদের বড় অংশই শেয়ারনির্ভর ‘কাগুজে সম্পদ’। ফলে বাজারে শেয়ারের দর কমলে সম্পদের পরিমাণও দ্রুত কমে যেতে পারে।
অন্যদিকে স্পেসএক্স এখনো লাভজনক নয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মহাকাশ প্রযুক্তিতে বড় বিনিয়োগের কারণে প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে ৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি লোকসানে রয়েছে।
তবুও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমেনি। ভবিষ্যতে মহাকাশ অর্থনীতি, স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ও এআই খাতে সম্ভাবনার কারণেই স্পেসএক্সকে ঘিরে এত বড় মূল্যায়ন তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মন্তব্য করুন