প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ০৯:৫১ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে হামাস নেতাদের সঙ্গে মিসরে বৈঠক করেছেন মার্কিন দূত ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। তবে প্রস্তাবিত এ পরিকল্পনা ইতোমধ্যে প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরাইল।
রোববার (১৬ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে এক ফিলিস্তিনি সূত্র জানায়, বৈঠকে হামাস নেতারা গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের বিষয়গুলো কুশনারের কাছে তুলে ধরেন। জবাবে কুশনার স্পষ্ট করে জানান, গাজার বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার যেকোনো পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করে না।
বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেক কর্মকর্তা জানান, মিসরের আল-আলামেইন শহরে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল প্রস্তাবিত শান্তি রোডম্যাপের শর্তগুলোকে বাস্তব ও যাচাইযোগ্য পদক্ষেপে রূপ দেওয়া।
ওই কর্মকর্তা বলেন, আলোচনায় যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা, গাজার প্রশাসনিক দায়িত্ব ধাপে ধাপে ‘ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজা’র কাছে হস্তান্তর এবং ভবিষ্যতে গাজার শাসনে হামাসের কোনো ভূমিকা না থাকার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
এ ছাড়া হামাসকে গাজার শাসনক্ষমতা, অস্ত্রভাণ্ডার এবং সামরিক অবকাঠামো ত্যাগ করার বিষয়েও জোর দেওয়া হয়। একই সঙ্গে গাজা যেন ভবিষ্যতে ইসরাইলের জন্য ‘সন্ত্রাসের উৎস’ না হয়, সেটিও নিশ্চিত করার কথা আলোচনায় উঠে আসে।
বৈঠকে হামাসের রাজনৈতিক নেতা খলিল আল-হাইয়া উপস্থিত ছিলেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানায়, বৈঠকে মিসরের গোয়েন্দাপ্রধান হাসান রাশাদ, কাতারের কূটনীতিক আলি আল-থাওয়াদি এবং তুরস্কের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাও অংশ নেন। কুশনারের সঙ্গে ‘বোর্ড অব পিস’-এর দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ এবং সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারও আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, গাজা পরিস্থিতি নিয়ে এই কূটনৈতিক তৎপরতা মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, যদিও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থান এখনো পরস্পরবিরোধী।
মন্তব্য করুন