প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ১১:৪৩ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
ভারতে অবস্থানরত দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বর্তমান আইনি অবস্থান বা স্ট্যাটাস সম্পর্কে বাংলাদেশের কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শেখ হাসিনা বিচার প্রক্রিয়ায় দণ্ডপ্রাপ্ত এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে ইতোমধ্যে প্রত্যর্পণের আবেদন করেছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ভারতের একটি সংবাদমাধ্যমে শেখ হাসিনাকে নিয়ে আদালতের অনুমতির প্রয়োজন হতে পারে—এমন প্রতিবেদনের প্রসঙ্গে আমিনুল ইসলাম বলেন, ওই প্রতিবেদনে তার অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ নেই। তিনি ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন কি না বা কী স্ট্যাটাসে অবস্থান করছেন, তা স্পষ্ট করা হয়নি। ফলে ওই তথ্যের ভিত্তিতে মন্তব্য করা সমীচীন নয়।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এখনো নিশ্চিতভাবে জানে না শেখ হাসিনা ভারতে কোন অবস্থানে রয়েছেন। এ কারণে ভারতীয় আদালতের অনুমতির বিষয়টি ঠিক কী অর্থে বলা হয়েছে, সেটিও পরিষ্কার নয়।
এ সময় সাংবাদিকরা ভারতের মেঘালয়ে অবস্থান করা সালাহউদ্দিন আহমেদের বিষয়টির সঙ্গে শেখ হাসিনার প্রসঙ্গের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, দুটি বিষয় সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং পরস্পরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়।
তিনি জানান, সালাহউদ্দিন আহমেদকে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে অপহরণ করে ভারতে নেওয়া হয়েছিল। পরে শিলংয়ে তাকে পাওয়া যায় এবং তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় তিনি খালাস পান। পরবর্তীতে তিনি দেশে ফিরে আসেন।
এ ছাড়া জুলাই আন্দোলনে ভূমিকার অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান চিফ প্রসিকিউটর।
তিনি বলেন, ওই আন্দোলনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। এসব ঘটনার দায় আসামিদের নিতে হবে এবং ট্রাইব্যুনাল তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন