প্রকাশিত: ৯ জুন, ২০২৬, ০৯:২৯ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
তরুণ কর্মীদের মধ্যে সফলতার সংজ্ঞা পরিবর্তন হচ্ছে। উচ্চপদ ও বেশি বেতনের বদলে তারা কাজের স্বাধীনতা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
২৬ বছর বয়সী সফটওয়্যার প্রকৌশলী কেলিন মস চার বছরের অভিজ্ঞতা থাকলেও পদোন্নতি নিতে অস্বীকার করেছেন। ২ লাখ ডলারের বেতনের প্রস্তাবও তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার মতে, পদোন্নতি মানে বাড়তি মিটিং, বাড়তি দায়িত্ব এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার ক্ষতি। তিনি নির্দিষ্ট ঘণ্টা কাজ করে বাকি সময় সৈকতে বই পড়েন বা বন্ধুদের সাথে সময় কাটান।
ডেলয়েটের ২০২৫ সালের জরিপে দেখা গেছে, বর্তমান প্রজন্মের মাত্র ৬ শতাংশ নেতৃত্বের পদ পেতে চায়। বাকিরা ব্যক্তিগত বিকাশ এবং 'ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালান্স'-কে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
বাংলাদেশে এখনো পদোন্নতিকে বড় সাফল্য মনে করা হয়, তবে আইটি, ফ্রিল্যান্সিং এবং সৃজনশীল পেশায় নিয়োজিত তরুণরা কাজের স্বাধীনতাকে বেশি মূল্য দিচ্ছেন। অনেকে বড় কোম্পানির চাপ এড়িয়ে ছোট কিন্তু স্বাধীন পরিবেশে কাজ করতে চান।
পদোন্নতি না নিলেও সমস্যা নেই, তবে শুরু থেকেই সঠিক আর্থিক পরিকল্পনা প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদে বেতন কম বৃদ্ধি পাবে, তাই অল্প বয়স থেকেই বিনিয়োগ করা জরুরি যাতে পরে কাজ না করলেও টাকা আপনার জন্য কাজ করে।
ক্যারিয়ারের লক্ষ্য এখন আর শুধু সিইও হওয়া নয়। মানসিক স্বাস্থ্য বজায় রেখে সৃজনশীলভাবে কাজ করাই নতুন লক্ষ্য।
মন্তব্য করুন