প্রকাশিত: ৮ জুন, ২০২৬, ০৭:০৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
নতুন বেতন কাঠামোর আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। ২০১৫ সালে অষ্টম পে স্কেল কার্যকর হওয়ার পর প্রায় এক যুগ পার হয়ে যাওয়ার পরেও মূল্যস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নতুন বেতন কাঠামোর বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়নি। বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে পে কমিশনের প্রস্তাবনা প্রকাশিত হলেও সরকারিভাবে এখনো কোনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।
সরকারি চাকরিজীবীরা দীর্ঘকাল ধরে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য আবেদন জানিয়ে আসছেন। পে কমিশনের বিভিন্ন প্রস্তাবে ন্যূনতম বেতন বর্তমানের আট হাজার দুশত পঞ্চাশ টাকা থেকে বাড়িয়ে বিশ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন এখনো জারি না হওয়ায় তাদের মধ্যে হতাশা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায় যে সরকার আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে নতুন পে স্কেল একযোগে বাস্তবায়নের পরিবর্তে ধাপে ধাপে কার্যকর করার বিষয় নিয়ে বিবেচনা করছে। কিন্তু এই পদ্ধতিকে তীব্রভাবে বিরোধিতা করছেন বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনের নেতারা। তাদের অবস্থান এই যে আংশিক নয়, বরং একবারেই সম্পূর্ণ নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা প্রদান করতে হবে।
চাকরিজীবীদের মতে, দীর্ঘ বিরতির পর বেতন বৃদ্ধির উদ্যোগ অবশ্যই ইতিবাচক। তবে চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির পরিস্থিতিতে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি তাদের বাস্তব জীবনের আর্থিক চাপ পরিচালনায় যথেষ্ট সহায়ক হবে না বলে তারা বিশ্বাস করেন। এর ফলে তারা এক পর্যায়ে শতভাগ নতুন পে স্কেল কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।
আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর করার আলোচনা থাকলেও জুনের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করছেন। এই আশঙ্কার কারণেই নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের উৎকণ্ঠা প্রতিদিন বাড়ছে।
মন্তব্য করুন