প্রকাশিত: ২৪ জুন, ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাটের সুনির্দিষ্ট করের আওতায় মুদি দোকানসহ মোট ১৬টি খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাকে যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে সরকার। বুধবার বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের চতুর্দশতম দিনে লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদের বৈঠকে প্রশ্নোত্তরটি টেবিলে উত্থাপিত হয়।
সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৫-এর সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাবদ মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকার রাজস্ব আয় হয়েছে। রাজস্বের পরিধি বাড়াতে নতুন প্রতিষ্ঠান ও উৎসকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই ১৬টি খাতকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ভ্যাটের সুনির্দিষ্ট করের আওতায় আসতে যাওয়া সম্ভাব্য খাতগুলো হলো— মুদির দোকান, তৈরি পোশাক বা কাপড়ের বিক্রেতা, কনফেকশনারি, কসমেটিকসের দোকান, প্লাস্টিক ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা, ডেকোরেটরস, মোবাইল ফোন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), রেফ্রিজারেটর (ফ্রিজ), ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতা, পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার, স্যানিটারি ও ফিটিংস, টাইলসের দোকান, ঢেউটিনের দোকান, রড ও সিমেন্ট, ফার্নিচার, বিউটি পার্লার, মিষ্টান্ন ভাণ্ডার এবং রেস্টুরেন্ট বা খাবার দোকান। দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি থেকে রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থা জোরদার করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন