প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৪:১৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
মাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুন করে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলাম চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি আরও জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান ও অগ্রগতি পর্যালোচনায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আরও কঠোর হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে তৃতীয় ঢাকা-চায়না ডে-২০২৬ উদযাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
এহছানুল হক মিলন বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষায় পুরো শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হচ্ছে এবং কারিকুলামে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নতুন কারিকুলাম ২০২৮ সাল থেকে চালু হবে। এর আগে জুলাই মাসেও তিনি জানিয়েছিলেন, ২০২৭ সালে বড় ধরনের কারিকুলাম পরিবর্তন সম্ভব না হলেও ২০২৮ সাল থেকে বিভিন্ন শ্রেণিতে নতুন কারিকুলাম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য শক্তিশালী বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনায় ইউজিসি আরও কঠোর হচ্ছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, সম্প্রতি মালয়েশিয়ান কোয়ালিফিকেশন এজেন্সির সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষা খাতের মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়গুলো এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশে একটি শাখা ক্যাম্পাস স্থাপনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য আরও উন্নত পরিবেশ তৈরি করা হবে। শিক্ষার উন্নয়নকে দেশের অগ্রগতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আগে শিক্ষা খাতে জিডিপির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ বরাদ্দ ছিল। এখন বরাদ্দ বেড়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী এটি ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে তিনি জানান।
শিক্ষামন্ত্রীর ভাষ্য, পর্যাপ্ত বাজেট ও পরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে চীন ও পশ্চিমা দেশগুলোর শিক্ষাব্যবস্থার মতো উন্নত করার লক্ষ্য রয়েছে।
এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, তরুণদের পথভ্রষ্ট হওয়ার প্রবণতা মোকাবিলায় শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচির পরিবর্তে সমাজ পরিবর্তনে শিক্ষাকে কাজে লাগানো প্রয়োজন। প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষা খাতের মাধ্যমে তরুণদের ইতিবাচকভাবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
মন্তব্য করুন