মোঃ মাহাবুবুর রাহমান রাব্বি

প্রকাশিত: ১৩ মে, ২০২৬, ০৫:৫১ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

বিশ্বকাপ ফুটবলের সর্বকালীন সেরার তালিকায় শীর্ষে ব্রাজিল, জার্মানি দ্বিতীয় আর্জেন্টিনা কোথায়

ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ বিশ্বকাপ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই নতুন করে চর্চায় উঠে আসছে বিশ্ব ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের পুরোনো হিসাব। ১৯৩০ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ২২টি আসরের ভিত্তিতে তৈরি এক পরিসংখ্যানিক চিত্রে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ সাফল্যের মুকুট উঠেছে ব্রাজিলের মাথায়। এই তালিকায় অভিন্ন মানদণ্ডে প্রতিটি আসরের জয়ের জন্য ৩ নম্বর ও ড্রয়ের জন্য ১ নম্বর ধরা হয়েছে।

এ তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে ব্রাজিল জাতীয় দল।যদি দুই দলের নম্বর সমান হয়, তাহলে প্রথম ভাঙানি হিসেবে দেখা হয় গোল ব্যবধান, পরে প্রয়োজনে মোট গোল সংখ্যা।

এই তালিকার শীর্ষে একক আধিপত্য ধরে রেখেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। তারাই একমাত্র দল, যারা এ যাবত প্রতিটি বিশ্বকাপের মূল পর্বে উপস্থিত থেকেছে। ১১৪ ম্যাচে ৭৬ জয়, ১৯ ড্র ও মাত্র ১৯ হারে তাদের সংগ্রহ ২৪৭ নম্বর। গোল ব্যবধান প্লাস ১২৯। ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ ও ২০০২ সালের বিশ্বজয়ের গৌরবে তাদের আধিপত্য অটুট। ২০২৬ আসরে খেলতে পারলে তা হবে সেলেসাওদের টানা ২৩তম অংশগ্রহণ।

পরিচ্ছন্ন ফুটবল ঐতিহ্যের আরেক লড়াকু সত্তা জার্মানি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা জার্মানরা ১১২ ম্যাচ থেকে জমা করেছে ২২৫ নম্বর। পশ্চিম জার্মানি ও একীভূত জার্মানির সম্মিলিত এই অভিযাত্রায় চারটি শিরোপা ঘরে তুলেছে তারা— ১৯৫৪, ১৯৭৪, ১৯৯০ ও ২০১৪ সালে। আটটি ফাইনালে ওঠার রেকর্ড তাদের ধারাবাহিকতারই প্রমাণ।

তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ৮৮ ম্যাচে ৪৭ জয়, ১৭ ড্র ও ২৪ হারে তাদের প্রাপ্তি ১৫৮ নম্বর এবং গোল ব্যবধান প্লাস ৫১। ১৯৭৮, ১৯৮৬ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি মোট ছয়বার ফাইনালে ওঠার কৃতিত্ব আলবিসেলেস্তেদের ইতিহাসের সেরাদের অন্যতম করে রেখেছে।

চারবারের বিশ্বজয়ী ইতালি চতুর্থ স্থানে। ৮৩ ম্যাচে ৪৫ জয় নিয়ে অর্জিত ১৫৬ নম্বর আর্জেন্টিনার থেকে মাত্র ২ নম্বর কম, গোল ব্যবধানও সমান প্লাস ৫১। ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি আসরে অনুপস্থিতিই আজ্জুরিদের পেছনে ফেলার অন্যতম কারণ। তাদের শিরোপাগুলো এসেছে ১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৮২ ও ২০০৬ সালে।

পঞ্চম স্থানে আছে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। ৭৩ ম্যাচে ৩৯ জয়ের বিনিময়ে তাদের সংগ্রহ ১৩১ নম্বর, গোল ব্যবধান প্লাস ৫১। ১৯৯৮-এ প্রথম ও ২০১৮-তে দ্বিতীয় শিরোপা জেতা ফরাসিরা ২০০৬ ও ২০২২ সালে রানার্সআপ হয়েছিল।

মন্তব্য করুন