তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৯ ঘন্টা আগে, ০৭:১৩ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

শ্রমিকের অধিকার ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার: শ্রমমন্ত্রী

শ্রমিকের অধিকার সুরক্ষা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, সামাজিক সংলাপ এবং শোভন কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার (৬ অক্টোবর) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন (আইটিইউসি) ও ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব এমপ্লয়ার্সের (আইওই) উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

শ্রমমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার শোভন কাজ, শ্রমিক কল্যাণ ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শ্রমিক, নিয়োগকর্তা ও সরকারের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সংলাপ এবং আইএলওর রোডম্যাপ বাস্তবায়নে অগ্রগতি পর্যালোচনায় প্রতিনিধি দলের এ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, নবনির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধন করেছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ সম্প্রতি আইএলওর ১৫৫, ১৮৭ ও ১৮৯ নম্বর কনভেনশন অনুমোদন করেছে। সামাজিক সংলাপ, বিরোধ নিষ্পত্তি ও শ্রম প্রশাসন শক্তিশালী করতেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সংশোধিত শ্রম আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা প্রণয়ন এখন সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। শ্রমিকদের জন্য অঙ্গীকারগুলোকে বাস্তব ও দৃশ্যমান উন্নয়নে রূপ দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শ্রমিকের অধিকার রক্ষা এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। শিল্প খাতে শান্তি ও টেকসই উন্নয়নে শক্তিশালী ত্রিপক্ষীয় সংলাপ ও সামাজিক অংশীদারিত্ব অপরিহার্য।

আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। প্রতিনিধি দলের সুচিন্তিত পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে যৌথভাবে কাজ করতে সরকার আগ্রহী।

সাক্ষাৎকালে আইটিইউসি ও আইওইর প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের শ্রম আইন সংশোধন, ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন সহজীকরণ, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা এবং ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তারা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলকে (ইপিজেড) পৃথক আইনের পরিবর্তে সার্বিক শ্রম আইনের আওতায় আনার অনুরোধ জানান।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন আইটিইউসির মহাসচিব লুক ট্রায়াঙ্গল, আইওইর ভাইস-চেয়ার কাইজার মোয়ানে, আইএলও গভর্নিং বডির সদস্য জেস ভোগট এবং আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনুনসহ অন্য কর্মকর্তারা।

এ সময় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুছ সামাদ আল আজাদসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন