প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ১০:৪১ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
বহুলপ্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট আগামী সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রকাশের লক্ষ্যে জোর প্রস্তুতি চলছে। বেতন বৃদ্ধি, ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা, বিচার বিভাগীয় কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে পর্যালোচনার কারণে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সেপ্টেম্বরের শুরুতেই পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। অনুমোদনের পর আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে গেজেট প্রকাশের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অক্টোবর থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় বেতন পেতে পারেন। তবে পে স্কেল কার্যকর ধরা হবে ১ জুলাই থেকে। ফলে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসের বেতন পুনর্নির্ধারণ করে বকেয়া হিসেবে সমন্বয় করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মূল্যস্ফীতি ও আর্থিক চাপ বিবেচনায় বকেয়া অর্থ এককালীন না দিয়ে ধাপে ধাপে পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে সরকারের ওপর তাৎক্ষণিক আর্থিক চাপ কমবে।
নবম বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় গঠিত সচিব কমিটির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত সুপারিশের আগে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে আরও একটি বৈঠক হতে পারে। ওই বৈঠকে বেতন বৃদ্ধি, গ্রেড কাঠামো, ভাতা, পেনশন ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বাকি বিষয়গুলো নিষ্পত্তি করা হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সরকারের সামগ্রিক আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় কমিশনের পূর্ণ সুপারিশ বাস্তবায়নে কিছু ক্ষেত্রে কাটছাঁটের বিষয় আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে মূল বেতন বৃদ্ধি এবং কিছু ভাতা পুনর্বিন্যাস করা হতে পারে।
অর্থমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, নতুন পে স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে এবং চলতি অর্থবছরেই বাস্তবায়ন শুরু করা হবে। প্রাথমিকভাবে মূল বেতন চালু করে পরবর্তী ধাপে ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বর্তমানে গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পুরোনো কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। নতুন গেজেট প্রকাশের পর সংশোধিত কাঠামো অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ এবং বকেয়া সমন্বয় করা হবে।
সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে এখন দ্রুত গেজেট প্রকাশের অপেক্ষা বাড়ছে, যাতে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন শুরু হয়।
মন্তব্য করুন