প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৫:০৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ইরানে সামরিক হামলার প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও এ নিয়ে কোনো অনুশোচনা নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার যুক্তি, ইরানের মতো একটি দেশকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে ঠেকাতে এই সামান্য মূল্যবৃদ্ধি মেনে নেওয়াই সমীচীন।
শুক্রবার নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত একটি জনসভায় সাধারণ মানুষের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনাদেরকে তেলের জন্য সামান্য কিছু টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনারা এটি করছেন যাতে একটি অত্যন্ত খারাপ দেশ পারমাণবিক অস্ত্র হাতে না পায়। ইরান হচ্ছে বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বড় মদদদাতা দেশ।’
তেলের ঊর্ধ্বমুখী দামে সাধারণ মানুষের পকেটে যে চাপ পড়ছে, তাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিতে নারাজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বরং ইরানে হামলার সিদ্ধান্তকে তিনি সঠিক বলেই দাবি করেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আপনাদের এখন ৪ ডলার খরচ করতে হচ্ছে, যা ঠিক আছে। আমি সঠিক কাজ করেছি এবং এর জন্য আমি কখনোই ক্ষমা চাইব না।’
এর কিছুক্ষণ আগেই হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র থেকে দূরে রাখা, এই দুই লক্ষ্যই প্রেসিডেন্টের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ।
তবে বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন জ্বালানি তেলের গড় দাম ৪ ডলার ছাড়িয়েছে, যেখানে মাত্র এক বছর আগেও এই দাম ছিল ৩ ডলারের কাছাকাছি।
প্রেসিডেন্ট এই মূল্যবৃদ্ধিকে যতই ‘সামান্য’ বলে উড়িয়ে দিতে চান না কেন, দেশটির সাধারণ নাগরিকদের কাছে বিষয়টি মোটেও সেভাবে ধরা দিচ্ছে না। সিএনএনের সাম্প্রতিক এক জরিপে উঠে এসেছে, ৭৪ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন এই যুদ্ধে যে বিপুল প্রাণহানি ও অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে, তার কোনো যৌক্তিক সার্থকতা নেই।
মন্তব্য করুন