প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ০২:৫৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব রুখতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত। তিনি জানান, বৈজ্ঞানিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা শনাক্ত করা হয়েছে এবং এসব এলাকায় গত ৫ এপ্রিল থেকেই জরুরি বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
আজ রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর কড়াইল বস্তির এরশাদ মাঠে ‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত জানান, বড় সিটি কর্পোরেশনগুলোতে পর্যায়ক্রমে টিকাদান শুরু হয়েছে এবং আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে এই কর্মসূচি একযোগে পরিচালিত হবে। তিনি বিশেষ করে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মায়েদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা অবশ্যই সন্তানদের এই টিকার আওতায় আনেন। প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গোষ্ঠীগত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ‘হার্ড ইমিউনিটি’ তৈরির মাধ্যমে শিশুদের সুরক্ষিত রাখাই এই ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার জনস্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, "স্বৈরাচারমুক্ত নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে জনগণের স্বপ্ন পূরণে আমরা দিনরাত পরিশ্রম করছি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ অপপ্রচারের চেষ্টা করলেও সচেতন জনগণ প্রকৃত সত্য উপলব্ধি করতে পারবে।" তিনি এই টিকাদান কর্মসূচিকে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার একটি বড় সুযোগ হিসেবে অভিহিত করেন।
অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন জানান, ডিএনসিসির নিজস্ব কোনো জেনারেল হাসপাতাল নেই। মহাখালীর বর্তমান কোভিড হাসপাতালটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ জেনারেল হাসপাতালে রূপান্তরের জন্য তিনি স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব দিয়েছেন। সেখানে কিছু অব্যবস্থাপনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি বাস্তবায়িত হলে উত্তর সিটির বাসিন্দারা সহজেই উন্নত চিকিৎসাসেবা পাবেন।
অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর গবেষণা কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারীসহ ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন