প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৩:২৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
স্কুলে লটারির মাধ্যমে ভর্তি পদ্ধতি মেধা যাচাইয়ের সঠিক উপায় নয় বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, "লটারিতে কত জন প্রকৃত নিয়মে ভর্তি হয় আর কতজন স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে ঢোকে, সেই খবর আমার কাছে আছে। আমি স্পষ্ট করে বলছি, লটারি কখনো মেধা নির্ধারণ করতে পারে না।"
আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে ঢাকা অঞ্চলের কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
ভর্তির লটারি পদ্ধতি নিয়ে চলমান বিতর্কের প্রেক্ষাপটে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই পদ্ধতি নিয়ে নানা সমালোচনা হচ্ছে। অনেকে অভিযোগ করেছেন যে লটারি তুলে দিয়ে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য তৈরি করা হচ্ছে। এর জবাবে তিনি বলেন, "লটারি পদ্ধতি মেধাবী ও অমেধাবীর পার্থক্য নির্ধারণ করতে পারে না, এমনকি এটি ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য কমাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে না।"
দেশে কোচিং সেন্টারের রমরমা ব্যবসার পেছনে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতাকে দায়ী করেন ড. এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, "আমাদের নিজেদের দুর্বলতার কারণেই কোচিং সেন্টারগুলো ডালপালা মেলছে। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া। শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে কী শেখাবেন এবং কীভাবে শেখাবেন, সেটিই আমাদের আগামীর অগ্রাধিকার।"
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দকার এহসানুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় আসন্ন পাবলিক পরীক্ষাগুলো সুশৃঙ্খল ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে কেন্দ্রসচিবদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন