প্রকাশিত: ১৪ ঘন্টা আগে, ০৩:১৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের পাল্টা অভিযানে অন্তত ৬৫০ মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হয়েছেন, এমন দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) আইআরজিসির বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করে তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম দুদিনে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইরানি গোয়েন্দা সংস্থা ও যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের হামলায় এখন পর্যন্ত ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।
পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটন-তেহরান পরোক্ষ আলোচনার মধ্যেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। তেল আবিব এ অভিযানের নাম দেয় ‘অপারেশন লায়নস রোয়ারিং’, আর ওয়াশিংটন একে আখ্যা দেয় ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’।
ইরানের রাজধানী তেহরান-এ হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ অন্তত ৪০ শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে তাসনিমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। জবাবে ইরান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’ নামে পাল্টা হামলা শুরু করে।
আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নাঈনি দাবি করেন, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এবং যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব হামলার পর মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ইরানের উপকূলীয় জলসীমা থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে।
নাঈনি আরও দাবি করেন, দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের চাবাহার উপকূল থেকে ২৫০–৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থানরত ওই রণতরী লক্ষ্য করে চারটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। হামলার পর রণতরীটি ভারত মহাসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে সরে যায় বলে তার বক্তব্য।
তবে এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ভিন্ন তথ্য দেওয়া হয়েছে এবং হতাহতের সংখ্যা নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে।
মন্তব্য করুন