প্রকাশিত: ১৫ ঘন্টা আগে, ০২:১০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দেশে চলমান সমালোচনার প্রেক্ষিতে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, কোনো চুক্তিই সম্পূর্ণ ইতিবাচক বা নেতিবাচক হয় না। তিনি বলেন, “এটি একটি রাষ্ট্রীয় চুক্তি এবং বাস্তবতা। তবে কোনো চুক্তিই চূড়ান্ত নয়—প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আলোচনার মাধ্যমে এতে পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে।” আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষের জন্য ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।
মন্ত্রী জানান, একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার। বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের চিত্র নিম্নরূপ:
মোট বাণিজ্যের পরিমাণ: প্রায় ৮.৫ বিলিয়ন ডলার।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি: প্রায় ২.৭৫ বিলিয়ন ডলার।
মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠকে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ এবং ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, নন-ট্যারিফ বাধা দূর করা গেলে এবং প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হলে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ ও উন্নয়ন অর্থায়নের (Development Finance) সুযোগ আরও বাড়বে।
ভিসা বন্ড ইস্যুতে ব্যবসায়ীদের উদ্বেগের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, বিষয়টি বর্তমানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তদারকি করছে। সরকার চায় দুই দেশের বিনিয়োগকারীরা যেন কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই যাতায়াত ও ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন। এছাড়া মার্কিন আদালতে জরুরি ক্ষমতার আওতায় আরোপিত শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়টিও সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, মার্কিন প্রশাসন বর্তমান সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। এই সম্পর্কের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিদেশি বিনিয়োগের নতুন দুয়ার উন্মোচিত হবে বলে তিনি মনে করেন।
মন্তব্য করুন