প্রকাশিত: ১৮ ঘন্টা আগে, ১১:৪১ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘পলিটিকো’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে তাঁর অনীহার কথা স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, “আমি মোটেও পরোয়া করি না। আমার মতে ইরান খুব বাজেভাবে পরাজিত দেশ। তারা ধোঁয়ায় উড়ছে।” ট্রাম্পের এই মন্তব্য ফিফার নিরপেক্ষতা ও খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার নীতির পরিপন্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্বকাপের ফিক্সচার অনুযায়ী, ইরানের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলস ও সিয়াটলে হওয়ার কথা। কিন্তু বর্তমান যুদ্ধাবস্থায় ইরানি খেলোয়াড় ও দর্শকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। হোয়াইট হাউজের বিশ্বকাপ টাস্কফোর্সের পরিচালক অ্যান্ড্রু জিউলিয়ানি জানিয়েছেন, আমেরিকানদের নিরাপত্তার জন্য যেকোনো ‘অস্থিতিশীল হুমকি’ দূর করতে তাঁরা বদ্ধপরিকর।
ফিফা বারবার বলছে যে তারা সব দেশের নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। অন্যদিকে, ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদী তাজ আগে থেকেই শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইরানের বিশ্বকাপ যাত্রা এখন তাদের ক্রীড়া বিভাগ ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক আলোচনার ওপর নির্ভর করছে।
২০২৬ বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সব প্রতিযোগী দেশের প্রতিনিধিদের স্বাগত জানাতে বাধ্য। কিন্তু ট্রাম্পের মন্তব্য এবং চলমান সামরিক হামলা এই আইনি ও নৈতিক বাধ্যবাধকতাকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
মন্তব্য করুন