তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৪:২০ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

তিন মাসের মধ্যে গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়ার বাস টার্মিনাল যাবে চুনকুটিয়ায়

ঢাকার গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়ার বাস টার্মিনাল সর্বোচ্চ তিন মাসের মধ্যে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়ায় স্থানান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়ায় ঝিলমিল প্রকল্পের ১০ একর জায়গায় ডিপো তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। আপাতত সেখানে অস্থায়ীভাবে গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়ার বাস টার্মিনাল স্থানান্তর করা হবে। কাজ শেষ হলে বাসগুলো সেখানে সরিয়ে নেওয়া হবে।

তিনি জানান, চুনকুটিয়ায় ডিপো তৈরির জন্য সরকার ১০ একর জমি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। পাশাপাশি রাজউকের মাধ্যমে সেখানে আরও প্রায় ৭৫ একর জমি পাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব জমিতে স্থায়ীভাবে টার্মিনাল ও ডিপো নির্মাণ করা হবে।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, চুনকুটিয়ায় একটি মাল্টিমডেল ট্রান্সপোর্ট হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের ১৯টি জেলার বাসসহ বিভিন্ন পরিবহন পর্যায়ক্রমে সেখানে স্থানান্তর করা হবে। বাদামতলী আড়তের ট্রাকসহ অন্যান্য ট্রাকও সেখানে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়ার বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সময়সীমা সম্পর্কে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ তিন মাস সময় নিয়েছি। আশা করছি, সর্বোচ্চ তিন মাসের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন হবে। কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুলবাড়িয়া ও গুলিস্তানের বাস সেখানে স্থানান্তর করা হবে।’

মহাখালী টার্মিনালের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সবকিছু শৃঙ্খলাবদ্ধ নিয়মের মধ্যে পরিচালিত হোক, সেটিই তারা চান। কেউ অনিয়মের চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, রাজধানীর অসহনীয় যানজট ও সড়ক পরিবহন খাতের বিশৃঙ্খলায় নগরবাসী অতিষ্ঠ। এ পরিস্থিতির পরিবর্তন চান সবাই।

তিনি বলেন, মহাখালী বাস টার্মিনালে যে পরিবর্তন আনা হচ্ছে, পর্যায়ক্রমে তা ফুলবাড়িয়া, গুলিস্তান, সায়েদাবাদ ও গাবতলী টার্মিনালেও করা হবে।

ঢাকার সড়কে যত্রতত্র যাত্রী ওঠানো-নামানো এবং সড়ক আটকে বাস দাঁড় করিয়ে রাখার সমালোচনা করে শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, ‘এ ব্যবস্থা কেউ চায় না, আমরাও চলতে দেব না।’

মন্তব্য করুন