গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১১ ঘন্টা আগে, ০৬:৩৪ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বদলীতে নীতিমালা পরিপন্থি বদলী ও অর্থ বানিজ্যের  অভিযোগ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলীর ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের ৩৮.০১.৩২৩০.০০০.৯৯.০০১.২৬-৯৩৬ স্মারকে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ১৫ জন সহকারী শিক্ষককে উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে বদলী করে। বদলী করার ক্ষেত্রে নীতিমালা না মেনে বিশাল অংকের অর্থের বিনিময়ে বদলী বানিজ্যের অভিযোগ উঠছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ ইবনে মাসুদ রানার বিরুদ্ধে। অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার পার্বতীপুর চামরগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ২০২৫ সালের ২৭ এপ্রিল  পারগয়ড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পার্বতীপুর চামরগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বদলী হয়ে আসেন। বদলীর নীতিমালা অনুযায়ী বদলী হওয়ার ৩ বছর অতিবাহিত না হলে সে বদলীর আবেদনই করতে পারবেন না । কিন্তু নীতিমালার তোয়াক্কা না করে পৌর শহরের গোবিন্দগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাকে বদলী করা হয় । যা বদলী নীতিমালার সম্পূর্ণ পরিপন্থি। গোবিন্দগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থান পৌরশহরের মধ্যে হওয়ায় এর চাহিদা ছিল ব্যাপক। অনেক শিক্ষক বদলীর জন্য এখানে আবেদন করেছিল। কিন্তু নীতিমালার মধ্যে থাকার পরেও তাদের কাউকে বদলী না করে নীতিমালার বাইরে থাকা মাহবুবা বেগমকে বদলী করা হয়েছে। আবেদনকারী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বঞ্চিত শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে ২৪ এর সফল আন্দোলন হলেও এসময়ে তারা বৈষম্যর শিকার। অর্থের কাছে নীতিমালা পরাজিত। এমতাবস্থায় ভুক্তভোগীরা ঐ আদেশ বাতিল করে নীতিমালার আলোকে বদলী করার অনুরোধ সহ বদলী সংক্রান্ত দুর্নীতির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছেন। উল্লেখ্য মাহবুবা বেগম স্থানীয় বিএনপি নেতার নিকটাত্মীয়। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইবনে মাসুদ রানা জানান, মন্ত্রীর সুপারিশে ওই বদলী করা হয়েছে। এছাড়া কমিটিও তার ব্যাপারে সুপারিশ করেছে। নীতিমালার বাইরে মন্ত্রী কিংবা কমিটি সুপারিশ করতে পারে না এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি কোন সুদত্তর দিতে পারেনি।

 

মন্তব্য করুন