প্রকাশিত: ৩ ঘন্টা আগে, ১০:১৬ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
কিংবদন্তি শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী ও ভারতরত্নপ্রাপ্ত এমএস সুব্বুলক্ষ্মীর জীবন এবার উঠে আসছে রুপালি পর্দায়। তার চরিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। বড় বাজেটের এই জীবনীভিত্তিক সিনেমাটি তামিল, তেলেগু, কন্নড় ও মালায়ালম— চার ভাষায় নির্মাণ ও মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) চেন্নাইয়ের ঐতিহ্যবাহী মিউজিক একাডেমিতে এমএস সুব্বুলক্ষ্মীর ১১০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সিনেমাটির মহরত ও পূজা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা কমল হাসান। তিনি সিনেমাটির প্রথম দৃশ্যের সূচনা করেন।
অনুষ্ঠানে এমএস সুব্বুলক্ষ্মীর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী এবং ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনের প্রযোজক ও পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।
দক্ষিণী নির্মাতা গৌতম তিন্নানুরি প্রায় এক বছর গবেষণার পর সিনেমাটির চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন। সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করবেন আল্লু অরবিন্দ, রকলাইন ভেঙ্কটেশ ও বানি ভাসে। সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন সুরকার অনিরুদ্ধ রবিচন্দর।
অনুষ্ঠানে পরিচালক গৌতম তিন্নানুরি বলেন, বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমে অনুসারী ও জনপ্রিয়তার মাধ্যমে দ্রুত তারকা হয়ে ওঠা সম্ভব। কিন্তু এমএস সুব্বুলক্ষ্মী দীর্ঘদিনের সাধনা, ধৈর্য ও ত্যাগের মাধ্যমে নিজের অবস্থান তৈরি করেছিলেন। তার সংগীতের পাশাপাশি তার জীবনকেও বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে চান তিনি।
এমএস সুব্বুলক্ষ্মীর মতো কিংবদন্তি শিল্পীর চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে আবেগাপ্লুত রাশমিকা মান্দানা। নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি যেন একটি ‘ঐশ্বরিক সান্নিধ্যে’ দাঁড়িয়ে আছেন। এমএস সুব্বুলক্ষ্মীর ঐতিহাসিক জীবনের একটি অংশ হতে পারাকে তিনি সৌভাগ্য হিসেবে উল্লেখ করেন।
রাশমিকা আরও বলেন, এমএস সুব্বুলক্ষ্মী নিজেই হয়তো তাকে এই চরিত্রের জন্য বেছে নিয়েছেন। চরিত্রটির প্রতি শতভাগ নিষ্ঠা ও সততা রেখে নিজের সেরাটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
মহরত অনুষ্ঠানে তরুণ প্রজন্মের প্রশংসা করেন কমল হাসান। এমএস সুব্বুলক্ষ্মীর সংগীত কীভাবে ভারতজুড়ে মানুষের মধ্যে সংযোগ তৈরি করেছিল, সে প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। রাশমিকার এই চরিত্রে অভিনয় নিয়েও নিজের মুগ্ধতার কথা জানান বর্ষীয়ান এই অভিনেতা।
রসিকতা করে কমল হাসান বলেন, রাশমিকা এই চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়ায় তার কোনো হিংসা হচ্ছে না। এমনকি নিজের দাড়ি কামিয়ে ফেললেও এমএস সুব্বুলক্ষ্মীর চরিত্রের সঙ্গে তিনি সুবিচার করতে পারতেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মন্তব্য করুন