প্রকাশিত: ৫৪ মিনিট আগে, ০৪:২০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ব্রিকসে আমন্ত্রণের প্রক্রিয়া এবং বর্তমান দ্বিপক্ষীয় প্রেক্ষাপট অনুকূল না থাকায় ঢাকা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফরে যাবেন বলে সরকারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের আসন্ন ভারত সফর ঘিরে দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটল।
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নতুন দিল্লিতে ব্রিকসের এই শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আয়োজক দেশ ভারত বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানালেও তা প্রধানমন্ত্রীর মূল পদবির বিপরীতে নয়, বরং আঞ্চলিক জোট বিমসটেকের বর্তমান চেয়ার হিসেবে সীমিত পরিসরের ‘আউটরিচ সেশনে’ দেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, যে প্রক্রিয়ায় এবং মর্যাদায় বাংলাদেশের প্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তাতে ঢাকা সন্তুষ্ট নয়। মূলত পূর্ণাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে না ডেকে বিমসটেকের প্রধান হিসেবে এই আমন্ত্রণ জানানোর নিয়মটিকেই পুনর্বিবেচনার কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানও নয়াদিল্লির দাওয়াত প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ ও তীব্র আপত্তির কথা তুলে ধরেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ঢাকার অবস্থান জোরদার থাকা সত্ত্বেও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এই প্রেক্ষাপটেই দিল্লি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধিত্ব না করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।
মন্তব্য করুন