প্রকাশিত: ১১ ঘন্টা আগে, ১১:১৪ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে তরুণদের দিল্লির যন্তর মন্তরে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানানোর অভিযোগে আটক তিন নেতাকে মুক্তি দিয়েছেন আদালত। রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে দিল্লি ক্যান্টনমেন্টের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত তাদের মুক্তির নির্দেশ দেন।
মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। অনলাইন প্রচারণার মধ্য দিয়ে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়েছিল।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লিতে অবতরণের পর উড়োজাহাজের ভেতর থেকেই তাদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের আটকের ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়।
শনিবার দেশজুড়ে রাজনীতিবিদ, অভিনেতাসহ তিন হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করে পুলিশ। পরে রাতেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। দিল্লির কেন্দ্রীয় অংশের যন্তর মন্তরে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে রাজধানীজুড়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলে পুলিশ। ফলে বিক্ষোভকারীরা এক জায়গায় জড়ো হতে না পেরে শহরের বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে প্রতিবাদ জানান।
ভারতের এনডিএ সরকারের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিও আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন। শনিবার গভীর রাতে তাকেও মুক্তি দেওয়া হয়।
এদিকে, শনিবার দিল্লির একাধিক মেট্রো স্টেশন ও ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানিতে রোববার সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ বেঞ্চ বসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
রোববার সকালে মেট্রো চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও বিভিন্ন স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথে বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন রয়েছেন। আশপাশে বাসও রাখা হয়েছে, যাতে আটক ব্যক্তিদের সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া যায়।
শুক্রবার ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ শনিবারের বিক্ষোভের আগে মেট্রো পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ না রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওই বেঞ্চের অন্য দুই বিচারপতি ছিলেন জয়মাল্য বাগচী ও ভি মোহনা।
সিজেপির নেতারা জানিয়েছেন, ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া ও তালিকায় কারসাজির অভিযোগের জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চলবে।
তাদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণভাবে মানুষের জমায়েত ঠেকাতে দিল্লিতে ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ জারি করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন