মনোহরগঞ্জ কুমিল্লা সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ০৩:৩৪ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

উত্তর হাওলা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে চান - হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার উত্তর হাওলা ইউনিয়নবাসীর মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও জনবান্ধব মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশনের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক,
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মনোহরগঞ্জ উপজেলা শাখার সহসভাপতি, লাকসাম উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক, মানবিক সংগঠন নাসির উদ্দীন ফাউন্ডেশনের মহাসচিব  ও সাতেশ্বর সোলতানিয়া এমদাদউল্লাহ কাওমী মাদরাসার মোহতামিম এবং বিভিন্ন দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপকার হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ ছাত্রজীবনে যেমন মেধাবী ছিলেন, তেমনি সমাজের নানা অসংগতি পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখতেন। তাই ছাত্রজীবনে পড়া লেখার পাশাপাশি জনকল্যাণ মূলক কাজ করে মানুষের পাশে থেকেছেন, মানুষকে ভালোবেসেছেন। সারাজীবন মানুষের খাদেম ও সেবক হয়ে থাকতে চান।
হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ  বলেন, জনগণ আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে তাদের সেবা করার সুযোগ দিলে সততার সর্বোচ্চ দিয়ে সেই দায়িত্ব পালন করে যাবো ইনশাআল্লাহ। তাছাড়াও “যতদিন বাঁচবো মানুষের কল্যাণে, সমাজের কল্যাণে, জাতির কল্যাণে, দেশের কল্যাণে, সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা, এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা এবং ইউনিয়ন পরিষদের ত্রাণের সুষ্ঠু বিতরণ ও হতদরিদ্র মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই আমার দৃঢ় অঙ্গীকার। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিকার সুষ্ঠু পরিবেশ, সমাজ থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন করা আমার নির্বাচনী ইশতিহারের অন্যতম অঙ্গীকার। পাশাপাশি যৌতুক, ঘুষ, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে জনসচেতনতা ও কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করাই আমার জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।”

হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ সম্পর্কে জানতে কথা হয় উত্তর হাওলা ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সাথে, এলাকার সকল শ্রেণিপেশার মানুষের সাথে রয়েছে তার নিবিড় সম্পর্ক। তিনি বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা, মানবিক সংগঠনের দায়িত্ব অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে ইসলামী শিক্ষার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাদের বিশ্বাস, তার মতো সাদা মনের মানুষ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এলাকার জনগণ ঠকবে না, উত্তর হাওলা ইউনিয়ন হবে একটি মডেল ইউনিয়ন।”

মোঃ সোহেল নামে একজন বলেন, এবারের ইউপি নির্বাচনে উত্তর হাওলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে থেকে সম্ভবত সবচেয়ে উচ্চ শিক্ষিত হচ্ছেন “মোহম্মদ উল্লাহ ভাই, আমার জানামতে তিনি একজন হাফেজে কোরআন, আরবী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কামিল ফাস্ট ক্লাস, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ফাস্ট ক্লাস। এছাড়া তিনি নশরতপুর দারুল উলুম ইসলামিয়া, জামেয়া ইসলামিয়া জমিরিয়া নাসিরুল উলুম লাকসাম মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মোহতামিম, প্রতিষ্ঠা করেছেন হাফসা (রা.) মহিলা দাখিল মাদরাসা এমন উচ্চ শিক্ষিত হওয়ার পরও তিনি একজন বিনয়ী মানুষ। সততার মানদণ্ডে সবাইকে ছাড়িয়ে অন্যন্য উচ্চতায়। তিনি সাধারণ মানুষের কাছে একজন সৎ, পরিশ্রমী, সামাজিক, সদা হাস্যোজ্জ্বল এবং জনবান্ধব মানুষ। জনগণের উপকার করাই তার ধর্ম, মানুষকে সহযোগিতা করার জন্য তিনি সদা প্রস্তুত থাকেন। আমরা বিপদে-আপদে তাকে সবসময় পাশে পাই। আমার বিশ্বাস, তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী হলে এলাকার জনগণ তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে জনগণ খুঁজে পাবে আস্থার এক নতুন ঠিকানা।”

জামাল হোসেন নামে একজন বলেন “আমার জানামতে হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ, গরিব, দুঃখী ও মেহনতি মানুষের পাশে থেকেছেন সবসময়। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে সমাজে ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে, ত্রাণের সুষ্ঠু বিতরণ হবে। সেইসাথে উত্তর হাওলা ইউনিয়নকে একটি যুগপোযোগী, উন্নত, আধুনিক ও আদর্শ ইউনিয়ন গড়ে তুলবে বলে আমার বিশ্বাস।”

 

মন্তব্য করুন