প্রকাশিত: ৪ আগষ্ট, ২০২৬, ০১:২৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
দেশজুড়ে টানা অতিবৃষ্টির প্রভাবে কাঁচামরিচের বাজারদর লাগামহীনভাবে বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে ভারত থেকে আমদানির দ্বার খুলেছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ইতিমধ্যে দেশে পৌঁছেছে কাঁচামরিচের প্রথম চালান।
সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে ভারতীয় ট্রাকযোগে ৯ টন ২০০ কেজি কাঁচামরিচ প্রবেশ করে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে। বন্দর ও কাস্টমসের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে চালানটি পাঠানো হয় রাজধানী ঢাকার উদ্দেশে। শিমু এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান এই চালানের আমদানিকারক, আর পণ্য খালাসের কাজে সহযোগিতা করে শিমু শিপিং লাইন্স নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামিম হোসেন জানিয়েছেন, মরিচবাহী ট্রাক বন্দরে পৌঁছানোর পরপরই দ্রুততার সঙ্গে কাগজপত্রের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে খালাসের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্যমতে, সীমান্তের ওপারে আরও বেশ কয়েকটি মরিচবাহী ট্রাক প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে, যা শিগগিরই দেশে ঢুকবে।
প্রতি কেজিতে খরচ ১৩৫ টাকা
আমদানিকারক শাহাজান জানান, প্রতি কেজি কাঁচামরিচ আমদানি করতে তার মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৩৫ টাকা। সামান্য মুনাফা রেখে তিনি এই মরিচ বাজারে ছাড়বেন বলে জানান। আমদানির পরিমাণ বাড়লে বাজারে দাম ক্রমান্বয়ে কমে আসবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তবে আমদানি প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতার কথাও তুলে ধরেন শাহাজান। তার অভিযোগ, কাস্টমসে হয়রানি, পণ্য ছাড়করণে জটিলতা এবং অতিরিক্ত রাজস্ব পরিশোধের কারণে সার্বিক আমদানি ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে, যার ফলে অনেক আমদানিকারক পড়ছেন লোকসানের মুখে।
বেনাপোলেই কেজিপ্রতি ৩০০ টাকা
এদিকে খোদ বেনাপোলের কাঁচাবাজারেই সোমবার প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হতে দেখা গেছে ৩০০ টাকায়, যা সীমান্ত এলাকা হয়েও মূল্য নিয়ন্ত্রণে বিশেষ প্রভাব ফেলেনি। এ অবস্থায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা প্রত্যাশা করছেন, আগামী কয়েক দিনে আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে বাজারে কাঁচামরিচের দাম আরও নিয়ন্ত্রণে আসবে।
মন্তব্য করুন