তরুণ কণ্ঠ অনলাইন

প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০২:৪২ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে থাকতে চায় না সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের মাত্র চার মাসের মধ্যেই আলাদা হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল)। সম্প্রতি সংসদে ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হলে এর ১৮-ক ধারার সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছেন ব্যাংকটির সাবেক উদ্যোক্তা চেয়ারম্যানসহ পাঁচজন পুরোনো পরিচালক।

আবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপের দখলের আগে ২০০৭ থেকে টানা ১০ বছর সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ১১ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত লভ্যাংশ দিয়ে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছিল। আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় নতুন বিনিয়োগ আনা, ঝুঁকি হ্রাস এবং সুশাসন নিশ্চিতসহ মোট ৯টি পরিকল্পনার কথা আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসআইবিএলের সাবেক উদ্যোক্তা চেয়ারম্যান মেজর (অব.) ডা. রেজাউল হক বলেন, এখন বিভিন্ন উৎস থেকে বিনিয়োগ পাওয়া সম্ভব। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা দরকার, যাতে ব্যাংকটিকে পুনরায় শক্তিশালী করা যায়।

তবে বিশেষজ্ঞরা এই উদ্যোগ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. শহীদুল জাহীদ বলেন, এসব ব্যাংককে পুরোপুরি তাদের ওপর ছেড়ে দিলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ, এরই মধ্যে তারা সরকারি কোষাগার থেকে যে বিপুল অর্থ নিয়েছে, তা লাভ করে ফেরত দেয়া তাদের পক্ষে খুবই কঠিন হবে।

পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি অডিট প্রতিবেদন। সেখানে দেখা গেছে, ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ এসআইবিএলের প্রকৃত খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৯ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা, যার বড় অংশ আগে গোপন রাখা হয়েছিল। এই বিশাল দায়ের বোঝা মাথায় নিয়ে ব্যাংকটি আদৌ স্বাধীনভাবে টিকে উঠতে পারবে কিনা, সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মন্তব্য করুন