প্রকাশিত: ১৫ ঘন্টা আগে, ০৫:১২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
মালিক বা শ্রমিকদের কল্যাণে রেজিস্ট্রেশন করা কোনো সমিতি নির্ধারিত হারে টাকা নিলে সেটা চাঁদাবাজি নয় বলে আবারও দাবি করেছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মন্ত্রী বলেন, মালিক সমিতি তাদের কল্যাণে নির্ধারিত হারে ঐক্যবদ্ধভাবে অথবা সর্বসম্মতিতে তারা তাদের কল্যাণে একটা চাঁদা গ্রহণ করে বা নিয়মিত নেন। সেটা শ্রমিকদের কল্যাণে শ্রমিকরা এবং মালিকদের কল্যাণের মালিক সমিতি সেটা গ্রহণ করে। এটাকে আমি বলছি চাঁদাবাজি নয়।
এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, একটা সমিতির রেজিস্ট্রেশন হয়েছে, সেই সমিতি তাদের কল্যাণে একটি অর্থ কালেক্ট করার যদি বৈধতা থাকে সেটাকে আপনি চাঁদাবাজি কেন বলবেন।
এর আগেও সড়কে চাঁদা নিয়ে এক বক্তব্য দিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েন সড়ক ও সেতুমন্ত্রী রবিউল।
রবিউল আলম বলেন, যে সমিতির বা সংগঠনের বৈধতা নেই বা রেজিস্ট্রেশন নেই তারা যদি স্বেচ্ছাচারীভাবে কোনো জায়গা থেকে মালিকদের কাছ থেকে বা শ্রমিকদের কাছ থেকে বা পরিবহণ সেক্টর থেকে চাঁদা নেয়, এমন তথ্য পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।
ঈদযাত্রায় সড়কে চাঁদাবাজি করার কোনো সুযোগ— নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ পরিবহণ সেক্টরের সবাই তৎপর আছে। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে মনিটরিং করা হবে। মোবাইল কোর্ট আছে, হাইওয়ে পুলিশ তৎপর আছে। স্থানীয় প্রশাসন সক্রিয় আছে। মালিক সমিতি, পরিবহন শ্রমিক নেতারাও আছেন। তারাও এ ব্যাপারে (চাঁদাবাজি রোধ) তৎপর আছেন।
মন্ত্রী বলেন, ঈদ যাত্রাকে কেন্দ্র করে কোনো অবস্থাতে কোনো ধরনের অনৈতিক সুবিধা গড়ে ওঠার সুযোগ নেই।
এর আগে, দায়িত্বগ্রহণের পর গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী রবিউল বলেছিলেন, সড়কে বিভিন্ন পরিবহণ থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া হলে সেটা চাঁদা নয়, বরং টাকা দিতে বাধ্য করা হলে সেটা চাঁদা।
তার এ বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়। তার এ বক্তব্যকে ‘ঘোরতর অপরাধকে বৈধতা দেওয়ার অজুহাত’ হিসেবে উল্লেখ করে উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছিল ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
মন্তব্য করুন