প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৮:৪৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
তেল রফতানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দেশটির কর্মকর্তারা এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে আমিরাতের এই পদক্ষেপকে ওপেক এবং এর প্রধান চালিকাশক্তি সৌদি আরবের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের সদস্য আমিরাতের এই প্রস্থান সংগঠনটির ঐক্য ও কার্যকারিতাকে মারাত্মকভাবে দুর্বল করে দিতে পারে। এমনিতেই হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হুমকি ও জাহাজে হামলার কারণে উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি রফতানি বিঘ্নিত হচ্ছিল। এই সরু জলপথ দিয়ে বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন হয়ে থাকে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হবে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি অভিযোগ করে আসছিলেন, ওপেক কৃত্রিমভাবে তেলের দাম বাড়াচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার সুযোগ নিচ্ছে।
এই ঘোষণার ঠিক আগে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ গালফ ইনফ্লুয়েন্সারস ফোরামে ইরানের হামলায় আরব ও উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিক্রিয়ার কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের দেশগুলো একে অপরকে রসদ সরবরাহে সমর্থন করেছে, কিন্তু রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে ঐতিহাসিকভাবে তাদের অবস্থানই সবচেয়ে দুর্বল ছিল বলে আমি মনে করি। তিনি আরও বলেন, আরব লীগের কাছ থেকে আমি এই দুর্বল অবস্থান প্রত্যাশা করেছিলাম এবং এতে আমি অবাক হইনি, কিন্তু (উপসাগরীয়) সহযোগিতা পরিষদের কাছ থেকে আমি এটা প্রত্যাশা করিনি এবং এতে আমি অবাক হয়েছি।
মন্তব্য করুন