প্রকাশিত: ২০ ঘন্টা আগে, ০৯:২০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
আগামী অর্থবছরের বাজেটে সিগারেটের ওপর নতুন করে শুল্ক-কর বাড়ানো হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনে তামাক খাতসংশ্লিষ্ট সাতটি সংগঠনের সঙ্গে প্রাক্-বাজেট বৈঠকে তিনি এ তথ্য জানান। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়েও ইতিবাচক আশ্বাস দেন তিনি।
বৈঠকে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগামী অর্থবছরের বাজেটে সিগারেটের ওপর নতুন করে শুল্ক-কর বাড়বে না। সিগারেটের ওপর ৮৩ শতাংশের বেশি শুল্ক-কর যাওয়ার উপায় নেই।’
অবৈধ বিদেশি সিগারেটের বাজার নিয়ন্ত্রণে নতুন পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন তিনি। জানান, দেশীয় কোম্পানির উৎপাদিত সিগারেটের প্যাকেটে ‘কিউআর বা এয়ার কোড’ যুক্ত করা হবে, যাতে ভোক্তারা সহজেই যাচাই করতে পারেন পণ্যের ওপর সরকার নির্ধারিত রাজস্ব পরিশোধ করা হয়েছে কি না।
তিনি বলেন, ‘বিদেশি অবৈধ সিগারেটের বাজারে লাগাম টানতে সরকারের রাজস্ব দেওয়া দেশি কোম্পানির সিগারেটের প্যাকেটে ‘কিউআর বা এয়ার কোড’ থাকবে। এই কিউআর বা এয়ার কোডের মাধ্যমে ভোক্তারা নিজেই যাচাই করতে পারবেন, এর থেকে সরকার কর বা রাজস্ব পেয়েছে কি না।’
এনবিআর চেয়ারম্যান আরও জানান, বিদ্যমান স্ট্যাম্প ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হবে। এর রং ও আঠা প্রযুক্তিতে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয় কিউআর কোড সংযুক্ত করা হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা মোটামুটি যেটা ঠিক করেছি, সেটা হচ্ছে যে প্রত্যেকটা সিগারেটের প্যাকেটে আমাদের স্ট্যাম্প যেটা আছে, এটাকে আরও শক্ত করব। এটার রঙ পরিবর্তন করব, এটার যে গ্লু টেকনোলজি আছে উঠিয়ে দেওয়া যায়, সেটা পরিবর্তন করব। এটার মধ্যে অটোমেটেড কিউআর কোড থাকবে বা এয়ার কোড আরও যা যা আছে (থাকবে)। যে কেউ ইচ্ছা করলে সেটি যাচাই করতে পারবে।’
কর ফাঁকি প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর কথাও উল্লেখ করেন তিনি। যারা অবৈধ সিগারেট শনাক্তে সহায়তা করবেন, তাদের পুরস্কৃত করার পরিকল্পনার কথাও জানান এনবিআর প্রধান।
তার ভাষায়, ‘যারা যাচাই করে কর ফাঁকির বিষয়টিতে আমাদের জড়িত করবেন, ওনাদের জন্য আমরা ‘বড়’ আকারের পুরস্কারের ব্যবস্থা করব। যারা এই কাজের (অবৈধ সিগারেট বাজারজাত) সঙ্গে যুক্ত হবে, তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করব। ট্র্যাকের বাইরে কেউ থাকবে না। কারখানা থেকে একেবারে ওই কোড দিয়ে সব (সিগারেট) বের হবে।’
মন্তব্য করুন