তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ০৫:৪৪ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

ধর্ষনের অভিযুক্ত পলাতক রহিম গ্রেপ্তার

ছবি: তরুণ কণ্ঠ |

র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই বিভিন্ন ধরনের নৃশংস ও ঘৃণ্যতম অপরাধ বিশেষ করে মাদক উদ্ধার, হত্যা মামলা, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এছাড়াও যে কোন ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে র‍্যাবের প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে জনসাধারণের জন্য একটি নিরাপদ বাসযোগ্য সমাজ তথা দেশ বিনির্মাণে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, ভিকটিম মৌলভীবাজার জেলার সদর থানাধীন মির্জাপুর এলাকার বাসিন্দা। বিবাদী রাহিম মিয়ার বাড়ি ও ভিকটিমের বাড়ি পাশাপাশি হওয়ায় সে প্রায় সময় ভিকটিমের বাড়িতে আসা যাওয়া করত। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ঘটনার দিন গত ০২/০৩/২০২৬ খ্রি. তারিখ আনুমানিক ভোর ০৫.০০ ঘটিকার সময় বিবাদী ভিকটিমের ঘরে প্রবেশ করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। আনুমানিক ভোর ০৫টা ২০ মিনিটের সময় ভিকটিমের ভাই ভিকটিমের ঘরে মানুষের শব্দ শুনে তার ঘরে গিয়ে বিবাদীকে দেখতে পেলে সে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে তাকে আটক করেন। অতঃপর বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসা হওয়ার কথা বলে বিবাদীকে তার পরিবারের লোকজন নিয়ে যান। পরবর্তীতে বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসা না হওয়ায় ভিকটিমের ভাই মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে আসামিকে আইনের আওতায় আনতে র‍্যাব-৯ এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯, সিপিসি-২, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজারের একটি আভিযানিক দল গত ২০ এপ্রিল আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার সময় মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানাধীন কালাপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার মামলা নং-২১ তারিখ- ১১/০৩/২০২৬ খ্রি. ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/২০২৫) এর ৯(১); এর মূলে মৌলভীবাজারে কিশোরী ধর্ষণ মামলার একমাত্র পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামি- রাহিম মিয়া (২৩), পিতা-শফিক মিয়া, সাং- রঘুনন্দনপুর, থানা ও জেলা- মৌলভীবাজার।

পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

র‍্যাব-৯,সিলেট এর মিডিয়া অফিসার ও অতিঃ পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান।
 

মন্তব্য করুন