প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৬:৫৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী পরিচয় ব্যবহার করে এক বহিরাগত নারীকে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১৭ আসনে তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের প্রচারণা টিমের সদস্য হিসেবে কাজ করেছিলেন।
অভিযুক্ত মেহজাবিন আজমী নিজেকে ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে কলেজ শাখা ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় বলে জানা গেছে। তিনি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিমু হোসাইনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
তবে সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মার্কেটিং বিভাগে ওই নামে কোনো শিক্ষার্থীর অস্তিত্ব নেই। বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা জানান, তার নামে কোনো একাডেমিক রেকর্ড বা ডকুমেন্ট পাওয়া যায়নি। এ কারণে তাকে ভুয়া শিক্ষার্থী হিসেবে সনাক্ত করা হয়েছে।
এদিকে, অভিযুক্ত নারী কলেজের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন বলেও জানা গেছে, যা গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিচ্ছেদের মাধ্যমে শেষ হয়। এ বিষয়ে তার সাবেক স্বামী মো. আরমান অভিযোগ করে বলেন, সে এই কলেজের ছাত্রী নয়, তার কোনো ছাত্রত্ব নেই। কিন্তু সে কলেজে ছাত্রদলের সঙ্গে রাজনীতি করছে। এমনকি আমার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে একটি ভুয়া আইডি কার্ডও তৈরি করেছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মেহজাবিন আজমী তা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমি ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষে ২০২৩ সালে মার্কেটিং বিভাগে ভর্তি হয়েছিলাম। তবে পরবর্তীতে নিয়মিত না হওয়ায় ভর্তি বাতিল হয়ে যায়। ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি ক্যাম্পাস রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নই। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১৭ আসনে তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের প্রচারণা টিমে আমার নামটি ভুলবশত দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিমু হোসাইন বলেন, তিনি কলেজের বৈধ শিক্ষার্থী কিনা, এ বিষয়ে আমি অবগত নই। তবে নির্বাচনী প্রচারণা টিমে তার নামটি ভুলবশত দেওয়া হয়েছিল।
মন্তব্য করুন