প্রকাশিত: ৩৪ মিনিট আগে, ০৬:২৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল ও অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালসহ আটজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পলাতক পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে কারাগারে থাকা সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম জামাল উদ্দিন ও ছাত্রলীগ নেতা তানভীর হাসান সৈকতকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মাকসুদ কামাল ও জাফর ইকবাল ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম জামাল উদ্দিন, সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন এবং সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত।
আসামিদের মধ্যে শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, এ কে এম জামাল উদ্দিন ও তানভীর হাসান সৈকত বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। মাকসুদ কামাল, জাফর ইকবাল, সাদ্দাম হোসেন, শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ও মাজহারুল কবির শয়ন পলাতক রয়েছেন বলে আদালত-সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে আটজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। প্রসিকিউশনের অভিযোগ, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় আসামিদের উসকানি, ষড়যন্ত্র ও সহযোগিতার ভূমিকা ছিল।
প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হওয়ার কথা রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ আমলে নেওয়া বিচারিক প্রক্রিয়ার একটি ধাপ; এতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্ত বোঝায় না। অভিযোগের সত্যতা পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
মন্তব্য করুন