তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৫৩ মিনিট আগে, ০৪:৪৪ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা মানে যা ইচ্ছে তা লেখা নয়: প্রেস সচিব

সংবাদপত্রের পূর্ণ স্বাধীনতা রক্ষার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব, গুঞ্জন ও মিথ্যাচার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রেস সচিব বলেন, বর্তমান সরকার স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পক্ষে। তবে স্বাধীনতার অর্থ ইচ্ছেমতো যেকোনো বিষয় প্রকাশ করা নয়।

তিনি বলেন, “স্বাধীনতার কথা বলি, তখন আমাদের মনে রাখতে হবে যেন আমরা স্বৈরাচারি হয়ে না উঠি। স্বাধীনতা মানে এটা নয় যে, যা ইচ্ছে আপনি তা লিখবেন।”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সালেহ শিবলী বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় সাত কোটি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করছেন। অনেক ক্ষেত্রে কারও বিরুদ্ধে লেখা বা অভিযোগ প্রকাশ করা হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া কিংবা তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে না।

ডিজিটাল মাধ্যমে অসত্য তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

অপতথ্য রোধে প্রতিটি সংবাদমাধ্যমে নিয়মিত তথ্য যাচাই বা ‘ফ্যাক্টচেক’-এর ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান প্রেস সচিব। প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার পাশাপাশি মোবাইল জার্নালিজম ও সিটিজেন জার্নালিজমেও দিনের তথ্য সত্য না অসত্য—তা যাচাই করে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের বিশেষ অনুষ্ঠান বা প্রতিবেদন প্রকাশের তাগিদ দেন তিনি।

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিধি ও সীমানা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্বাধীনতার সীমা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। তবে প্রত্যেকের স্বাধীনতার পাশাপাশি একটি সীমানারেখা রয়েছে। সেই সীমারেখা সরকার বা ব্যক্তি নির্ধারণ করবেন না; সীমারেখা নির্ধারণ করবে আদালত, বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকন সভাপতিত্ব করেন এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল সঞ্চালনা করেন। এ সময় সংগঠনের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মেহেদী আজাদ মাসুম, সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন