প্রকাশিত: ৫৪ মিনিট আগে, ০৩:৫৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) গণশুনানিতে এলপিজি আমদানিকারকেরা বর্তমান কমিশন দুই থেকে আড়াই গুণ এবং পরিবেশকেরা তিন গুণ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর ইস্কাটনে বিয়াম মিলনায়তনে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি ও ব্যবসায়ীদের কমিশন বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে এ শুনানি শুরু হয়।
বিইআরসিতে জমা দেওয়া আবেদনে দেখা গেছে, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের কমিশন ১৯১ টাকা থেকে বাড়িয়ে বিভিন্ন হারে নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ওমেরা ৪৭৮ টাকা, পেট্রোম্যাক্স ৩৪৯ টাকা, ডেল্টা ৩৬০ টাকা এবং মেঘনা গ্রুপ ৩০০ টাকা কমিশন নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে।
অন্যদিকে, পরিবেশকেরা কমিশন ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা করার আবেদন করেছেন। খুচরা বিক্রেতারা ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছেন।
এলপিজি আমদানির ব্যবসায় নিবন্ধিত কোম্পানি রয়েছে ৩০টি। এর মধ্যে ছয়টি কোম্পানি নিয়মিত আমদানি করে। এ ছাড়া আমদানিকারকদের কাছ থেকে গ্যাস সংগ্রহ করে নিজস্ব কারখানায় সিলিন্ডারজাত করার কাজে যুক্ত রয়েছে ১২টি প্রতিষ্ঠান।
এর আগে গত ৪ অক্টোবর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। একই সঙ্গে সাড়ে ৫ কেজি থেকে ৪৫ কেজি ওজনের সিলিন্ডারের দাম আনুপাতিক হারে বাড়ানো হয়। প্রতি কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয় ১৫৩ টাকা ৬ পয়সা।
এ সময় অটোগ্যাসের দামও প্রতি লিটার ৭৩ টাকা ৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
৪ অক্টোবরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাড়ে ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৮৪২ টাকা, ১২ কেজির ১ হাজার ৮৩৭ টাকা এবং সাড়ে ১২ কেজির ১ হাজার ৯১৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া ১৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ২৯৬ টাকা, ১৬ কেজির ২ হাজার ৪৪৯ টাকা, ১৮ কেজির ২ হাজার ৭৫৫ টাকা এবং ২০ কেজির ৩ হাজার ৬১ টাকা ধার্য করা হয়।
বড় সিলিন্ডারগুলোর মধ্যে ২২ কেজির দাম ৩ হাজার ৩৬৭ টাকা, ২৫ কেজির ৩ হাজার ৮২৭ টাকা, ৩০ কেজির ৪ হাজার ৫৯২ টাকা, ৩৩ কেজির ৫ হাজার ৫১ টাকা, ৩৫ কেজির ৫ হাজার ৩৫৭ টাকা এবং ৪৫ কেজির ৬ হাজার ৮৮৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
গণশুনানিতে কমিশন বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তবে এসব প্রস্তাবের বিষয়ে বিইআরসি কী সিদ্ধান্ত নেবে, তা দেওয়া তথ্যে উল্লেখ নেই।
মন্তব্য করুন