প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ০৯:১৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন পরিকল্পিত ‘ডিজিটাল মব’ বা অনলাইন হেনস্তার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মন্ত্রীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে কোচিং সেন্টার সিন্ডিকেট ও নোট-গাইড ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি অসাধু চক্র আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে বলে জানা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্ত্রীর পুরনো কিছু নির্বাচনী বক্তব্যের ভিডিও জোড়াতালি দিয়ে বা কাটপিস করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। মন্ত্রীর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ড. মিলনের নির্বাচনী প্রচারের সময়কার কিছু বক্তব্য এখনকার প্রেক্ষাপটে প্রচার করে প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে। ওই বক্তব্যগুলো নির্বাচনের সময় প্রাসঙ্গিক থাকলেও বর্তমানে সেগুলোকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যা মন্ত্রণালয়ের বর্তমান কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।
ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, নির্বাচনের আগে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের রাজনীতি নিয়ে কথা বলছেন মন্ত্রী। সেখানে প্রসংগক্রমে জাইমা রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এটি ছিল দীর্ঘ একটি আলাপচারিতার সামান্য অংশ মাত্র। কিন্তু কুচক্রী মহল সেই বক্তব্যকে কাটপিস করে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘টুইস্ট’ করে ভাইরাল করছে।
শিক্ষা প্রশাসন মনে করছে, কোচিং বাণিজ্য ও গাইড বইয়ের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সিন্ডিকেটটি এই অপপ্রচারের নেপথ্যে রয়েছে। সরকারের শিক্ষাসংক্রান্ত সংস্কারমূলক কাজে বাধা সৃষ্টি করতেই মন্ত্রীকে লক্ষ্য করে এই ধরনের সাইবার আক্রমণ চালানো হচ্ছে।
ড. মিলন এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন। তিনি দেশবাসীকে কোনো তথ্য যাচাই না করে শেয়ার না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সাথে এই অপপ্রচারের পেছনের হোতাদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানা গেছে। জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে যারা এই ধরনের প্রযুক্তির অপব্যবহার করছে, তাদের সম্পর্কে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মন্তব্য করুন