প্রকাশিত: ৯ ঘন্টা আগে, ০৫:৩৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে সারা দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানান, সরকার জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করছে এবং শিগগিরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘‘জনগণের মধ্যে এখনও অতিরিক্ত জ্বালানি তেল কেনার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অনেকেই বাড়তি তেল কিনে বাসাবাড়িতে মজুত করছেন। এখন পর্যন্ত সারা দেশ থেকে অবৈধভাবে মজুত করা ২ লাখ আট হাজার ৬৫০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।’’
মনির হোসেন সতর্ক করে বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রয়েছে, অথচ কিছু মহল কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ইন্দোনেশিয়া থেকে আরও দুই কার্গো জ্বালানি তেল বাংলাদেশে আসছে। এছাড়া রাশিয়া থেকে পরিশোধিত ৬ লাখ টন জ্বালানি তেল আনার জন্য সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে সাংশন ওয়েভার দিতে চিঠি পাঠিয়েছে। এই চিঠি ঈদের পরদিন পাঠানো হয় এবং বর্তমানে উত্তরের অপেক্ষা চলছে।
মনির হোসেন আশা প্রকাশ করেছেন, এপ্রিলেও দেশে কোনো জ্বালানি তেলের সংকট হবে না। তিনি জানান, বর্তমানে দেশে ১ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুত আছে। এপ্রিলে দেশে কয়েকটি জাহাজে আরও ১ লাখ ৫৪ হাজার মেট্রিক টন তেল আসবে, এরমধ্যে একটি আজ পৌঁছাবে এবং অন্যটি ৩ এপ্রিল পৌঁছাবে।
মন্তব্য করুন