প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন কাঁচা বাজারে হঠাৎ করেই সবজির দামে উল্লেখযোগ্য দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। এতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জেলার ঐতিহ্যবাহী কাকিনা হাট ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ সবজি আগের তুলনায় অনেক কম দামে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে লেবু প্রতি হালি ৩০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ৩০ টাকা, টমেটো ২৫ টাকা, গাজর ৩০ টাকা, পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৪০ টাকা, রসুন প্রতি কেজি ১০০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ফুলকপি প্রতি কেজি ৩০ টাকা, বাঁধাকপি প্রতি পিস ২০ টাকা এবং আলু ১৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গতকালেও এসব সবজির দাম ছিল তুলনামূলকভাবে বেশি।
বাজারে আসা ক্রেতারা জানান, দীর্ঘদিন পর নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজির দামে এই স্বস্তি তাদের সংসার খরচে কিছুটা হলেও স্বাচ্ছন্দ্য এনে দিয়েছে। এক ক্রেতা বলেন, “গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সবজির দাম খুব বেশি ছিল। আজ বাজারে এসে দেখলাম দাম অনেকটাই কম—এতে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের উপকার হচ্ছে।”
এ বিষয়ে সবজি বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সবজির সরবরাহ বেড়েছে। পাশাপাশি আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় উৎপাদন ভালো হয়েছে, ফলে বাজারে পণ্যের জোগান বৃদ্ধি পেয়েছে। এক বিক্রেতা বলেন, “সরবরাহ বেশি থাকায় দাম কমেছে। সামনে যদি এমনটাই থাকে, তাহলে দাম স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা আছে।”
স্থানীয় বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকলে এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি না পেলে আগামী দিনগুলোতেও সবজির বাজারে এই স্বস্তি বজায় থাকতে পারে। তবে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বাড়লে দামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
সব মিলিয়ে, হঠাৎ এই দরপতনে কালীগঞ্জসহ লালমনিরহাট জেলার কাঁচা বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতা—উভয়ের মধ্যেই কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।
মন্তব্য করুন