বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৫ মার্চ, ২০২৬, ০১:১১ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

দলীয় পরিচয়ে চাকরি, পরে ক্ষমতার দাপট—কারিগরি বোর্ড কর্মকর্তা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ

ছবি: তরুণ কণ্ঠ |

“সরকারি চাকরিতে কি রাজনৈতিক পরিচয় প্রাধান্য পেয়েছে? এমন অভিযোগ উঠেছে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তদন্ত রিপোর্টে দলীয় পরিচয়ের উল্লেখ, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৯ লঙ্ঘনের অভিযোগ, আর নিয়োগের পর ক্ষমতার অপব্যবহারের দাবি—সব মিলিয়ে বিষয়টি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা হতে পারে ফৌজদারি অপরাধ।”
অভিযোগ অনুযায়ী,বাংলাদেশ কারিগড়ি শিক্ষাবোর্ড এর সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কল্যন ব্রোত দাশ।দুই হাজার আট সালে  নিয়োগের সময় বরিশাল জেলা বিশেষ শাখার তদন্ত রিপোর্টে তাকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্ষমতাসীন সরকারি দলের পরিবারের সদস্য উল্লেখ করা হয়। সেখানে আরও বলা হয় কল্যন ব্রোত দাশ কোন জঙ্গী সংগঠনের সাথে যুক্ত নয়।খোজ নিয়ে জানা যায় তিনি ফেসিস্ট সরকার আওয়ামীলীগের  দলীয় শক্তি ব্যবহার করেই এই নিয়োগ নিয়েছেন। 
কিন্তু বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ উনত্রিশ এর এ্যাক এবং দুই   অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে সকল নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য করা যাবে না। শুধু রাজনৈতিক পারিবারিক পরিচয়ের কারণে চাকরি দেওয়া সংবিধানের সরাসরি লঙ্ঘন।
এ বিষয় বাংলাদেশ কারিগড়ি শিক্ষা বোর্ড সচিব সচিব আল মাসুদ করিমের সংগে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি তিনি এড়িয়ে নিজেক নতুন দাবী করেন পরবর্তীতে একাধিক বার কল দিলে তিনি রিসিভ করেন নি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের তদন্ত রিপোর্ট ও সুপারিশ বাংলাদেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ এবং ফৌজদারি অপরাধ।


দণ্ডবিধি আঠারোশো ষাইট-এর ধারা এ্যকশত একষট্টি,  সরকারি কর্মচারী কর্তৃক আইন অমান্য করে বেআইনি সুবিধা প্রদান ধারা একশত একষট্টি– একশত পয়ষট্টি  যদি আর্থিক বা অন্য কোনো সুবিধা বা রাজনৈতিক প্রভাবের বিনিময়ে সুপারিশ হয়ে থাকে  তাহলে  দুর্নীতি দমন আইন, দুইহাজার চব্বিশ দলীয় পরিচয়কে বিবেচনায় নিয়ে চাকরি প্রদান করা হলে তা ক্ষমতার অপব্যবহার দুর্নীতিমূলক নিয়োগ, যা দুর্নীতি দমন আইন, দুইহাজার চার অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং দুদকের তদন্তযোগ্য বিষয়।


আইনজ্ঞদের মতে এ ধরনের নিয়োগ অবৈধ  ভইড এ্যাভ ইনআইটিও  ঘোষণা হতে পারে ,আদালতের আদেশে চাকরি বাতিল হতে পারে, সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সুপারিশকারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও ফৌজদারি মামলা হতে পারে


নাম প্রকাশ না করে শর্তে একাধিক কর্মচারী কর্মকরতা এসব বলেন। নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই কল্যন ব্রোত দাশ  নিজেকে “সরকারি দলের লোক” হিসেবে পরিচয় দিয়ে দপ্তরের ভেতরে ও বাইরে নানা ধরনের অবৈধ সুবিধা আদায়, প্রভাব বিস্তার এবং প্রশাসনিক অনিয়ম করে আসছেন। স্কুল-কলেজের নিয়োগ কমিটি, ইনস্টিউট অনুমোদন দেওয়া এসব থেকে অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ আছে।

এ বিষয় কল্যান ব্রত দাশ বলেন  আমি এসব অভিযোগ এবং সরকারি তদন্তে আমার কোন হাত নেই।

মন্তব্য করুন