তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ৪৪ মিনিট আগে, ০৪:৫৪ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

এসএসসি খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি করা শিক্ষকদের শাস্তি হবে: শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি করা শিক্ষকদের জবাবদিহির আওতায় এনে শাস্তির মুখোমুখি করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসএসসি পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জ করে ৩ হাজার ৭৯ শিক্ষার্থী নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এ সংখ্যা কীভাবে বাড়ল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি খাতা মূল্যায়নকারী পরীক্ষকদের জবাবদিহির আওতায় আনার কথা বলেন।

তিনি বলেন, যেসব শিক্ষক পরীক্ষক হিসেবে খাতা ঠিকমতো দেখেননি, তাদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনা হবে এবং শাস্তির মুখে পড়তে হবে।

ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন বই দেওয়ার লক্ষ্য

আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, বইগুলো সময়মতো শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছায় কি না, তা নিয়ে তারা কাজ করছেন। দায়িত্ব নেওয়ার সময় পরিস্থিতি ভঙ্গুর ছিল এবং দুর্নীতিতে বিভিন্ন ক্ষেত্র জর্জরিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট দূর করার প্রতিশ্রুতি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট থাকবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেন ড. এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ফলাফল উন্নত করা, ক্লাসরুম মনিটরিং, কারিকুলাম সংশোধন এবং বাজারের চাহিদা অনুযায়ী কোর্স চালুর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

এ ছাড়া শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার কথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষ করে যাতে বেকার না থাকে, সে লক্ষ্যেও কাজ করার কথা বলেন তিনি।

ল কলেজের বাড়তি ফি নিয়ে প্রশ্ন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ল কলেজে ফরম পূরণের ফি বাড়ানোর প্রসঙ্গেও কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ল কোর্সের ফরম পূরণের ফি দ্বিগুণ বা তিনগুণ করা হয়েছে—এমন খবর তিনি পত্রিকায় দেখেছেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর দায়িত্ব রেখে এভাবে অর্থ আদায় করা চলবে না বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবার প্রথমবারের মতো ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড চালু করেছে। অনুষ্ঠানে ৫৭ শিক্ষার্থীকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। অতিথিরা শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

 

মন্তব্য করুন