আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪৬ মিনিট আগে, ০৮:৪৪ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

হরমুজ প্রণালিতে ‘এল গাইয়া’ নিয়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: হরমুজ প্রণালিতে পানামার পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ ‘এল গাইয়া’ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে পরস্পরবিরোধী দাবি করেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরান দাবি করেছে, জাহাজটি নৌমাইনে আঘাত পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ দাবি নাকচ করে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, জাহাজটি ইরানি বাহিনীর হামলার শিকার হয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সোমবার এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ‘এল গাইয়া’ নৌমাইনে আঘাত পেয়েছে বলে যে দাবি করেছে, তা মিথ্যা। সেন্টকমের দাবি, গত মাসে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জাহাজটি অচল হয়ে যায়।

সেন্টকম আরও জানায়, সপ্তাহ শেষে ওমানের উপকূলীয় জলসীমায় নোঙর করে থাকা জাহাজটিতে আবারও ড্রোন হামলা চালানো হয়। বর্তমানে একটি আঞ্চলিক দেশের সহায়তায় জাহাজটি টেনে নেওয়া হচ্ছে। তবে ওই দেশের নাম বা জাহাজটির গন্তব্য জানানো হয়নি।

মার্কিন কমান্ডের অভিযোগ, আইআরজিসি মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ভয়ভীতি তৈরি করছে এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল ব্যাহত করছে।

অন্যদিকে, সোমবার আইআরজিসি দাবি করে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে একটি নিষিদ্ধ এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় ‘এল গাইয়া’ নৌমাইনে আঘাত পেয়ে আগুন ধরে যায়। দক্ষিণ দিকের ওই অবৈধ পথের বিপদ সম্পর্কে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল বলেও দাবি করে তারা।

আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ রয়েছে এবং এর নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে। জাহাজটির আগুন নেভানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলেও জানায় ইরানি বাহিনী।

এর আগে রোববার ভারত জানিয়েছিল, ওমানের উপকূলের কাছে ‘এল গাইয়া’ হামলার শিকার হয়েছে। জাহাজটির ১৪ জন ভারতীয় নাবিকের মধ্যে ১৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তবে হামলাটি কারা বা কী ধরনের অস্ত্র দিয়ে চালিয়েছে, সে বিষয়ে নয়াদিল্লি কোনো তথ্য দেয়নি।

জাহাজটি কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যে ভিন্নতা থাকলেও উভয় পক্ষের দাবিই নিজ নিজ বক্তব্য হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।

মন্তব্য করুন