প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ১২:১২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির বাইরে বাণিজ্যিক ও অন্যান্য জাহাজ চলাচলের জন্য নতুন একটি ‘বহির্ভূত অঞ্চল’ (এক্সক্লুশন জোন) ঘোষণা করার পরিকল্পনা করছে ইরান। যেসকল জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রমের উদ্দেশ্যে উক্ত এলাকায় প্রবেশ করবে, সেগুলোকে নিজ দেশের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের নবনিযুক্ত প্রধান মোহসেন রেজাই।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রেজাই জানান, আগামী কয়েক দিন বা সপ্তাহের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন এই অঞ্চলটি চিহ্নিত ও ঘোষণা করা হতে পারে। প্রস্তাবিত সীমানাটি যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের অংশ থেকে শুরু হয়ে হরমুজ প্রণালি ও আরব উপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে। তবে ভৌগোলিক সীমারেখার সুনির্দিষ্ট স্থান এখনো খোলসা করেনি তেহরান।
ইরানি বন্দরগুলোকে লক্ষ্য করে তেহরানের তেল রপ্তানি ব্যাহত করতে বেশ কিছুদিন ধরে নৌ অবরোধ পরিচালনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে মোতায়েন রয়েছে অন্তত ২০টি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ। এর ফলে ইতোমধ্যে ৯২টি বাণিজ্যিক জাহাজকে তাদের গতিপথ পরিবর্তন করতে হয়েছে। এ অবস্থায় দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রতিদিন ১০ লাখ থেকে ১৫ লাখ ব্যারেল তেল বিক্রি অব্যাহত রাখার দাবি করেছেন মোহসেন রেজাই।
অন্যান্য দিকে, সমঝোতা স্মারক ভেঙে পড়ার পর পাকিস্তান, কাতার ও ওমানের মতো মধ্যস্থতাকারী দেশের ওপর ইরান আস্থা হারাচ্ছে জানিয়ে কূটনৈতিক নিশ্চয়তার দাবি করেন রেজাই। এদিকে মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট সিএনএনকে জানিয়েছেন, বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৯০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবাহিত হচ্ছে যা বাজারের ওপর চড়তে থাকা চাপ কিছুটা কমাবে। তবে বিভিন্ন ট্র্যাকিং সংস্থার তথ্যানুযায়ী, রাইটের দেওয়া সরবরাহ হিসাব বাস্তব পরিস্থিতির চেয়ে বেশি বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। হরমুজে সম্ভাব্য হামলা এড়াতে মার্কিন নৌবাহিনী নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
মন্তব্য করুন