তরুণ কণ্ঠ প্রতিবেদন

প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ১২:৫৭ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

এনসিপি নেতারা আওয়ামী লীগ রক্ষা করে সম্পদ ভোগ করছে: আবু হানিফ

ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি (এনসিপি) এর একাধিক নেতা নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতাদের রক্ষা করার বিনিময়ে তাঁদের সম্পদ ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন বলে তীব্র অভিযোগ তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।

আবু হানিফ তাঁর পোস্টে একাধিক নির্দিষ্ট উদাহরণ টেনে দাবি করেন, মাদারীপুর সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা তুষারের গাড়ি নিয়মিত ব্যবহার করছেন এনসিপি নেতা নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী। অথচ এই তুষার ২০২২ সালে বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনের বিরুদ্ধে মিছিল করেছিলেন এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় ছিলেন। আবু হানিফের দাবি, শুধু নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীই নন, এনসিপির বহু নেতা বর্তমানে আওয়ামী লীগকে আইনি ও রাজনৈতিক সুরক্ষা দেওয়ার শর্তে তাঁদের সম্পদ ব্যবহার করছেন।

গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী একাধিক ঘটনার উল্লেখ করে গণঅধিকার পরিষদের এই মুখপাত্র আরও লেখেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরপরই নারায়ণগঞ্জের এক প্রভাবশালী আওয়ামীপন্থী ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে এনসিপির সারজিস ও আখতার যুক্ত ছিলেন।

এছাড়া কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শ্যামলকে এনসিপিতে অন্তর্ভুক্ত করার পেছনের আর্থিক লেনদেনের কথা তুলে ধরে আবু হানিফ জানান, ৫ আগস্টের পর নিজের ডিশ ব্যবসা রক্ষা করতে ওই যুবলীগ নেতা এনসিপির এক নেতাকে মোটা অংকের টাকা দেন। কিশোরগঞ্জে এনসিপির সাংগঠনিক যাবতীয় খরচ বহন করার শর্তেই শ্যামলকে পদ দেওয়া হয়েছিল এবং এই ঘটনায় আওয়ামী লীগ ওই তিনজনকে দল থেকে বহিষ্কারও করেছিল।

আবু হানিফের মতে, ৫ আগস্টের পর থেকে কেন্দ্র থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এনসিপির প্রভাবশালী নেতারা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাদের নিরাপত্তা ও ব্যবসা টিকিয়ে রাখার বিনিময়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সম্পদ হাতিয়ে নিচ্ছেন।

 

মন্তব্য করুন